Alexa ১০ লাখ টাকায় চতুর্থ শ্রেণির চাকরি!

১০ লাখ টাকায় চতুর্থ শ্রেণির চাকরি!

মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:৪১ ২১ অক্টোবর ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের বি.ইউ.কে ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে দশ লাখ টাকায় নিম্নমান সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে ১০ জুলায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর এবং ২৬ সেপ্টেম্বর দুদকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ফরিদ আহম্মদ তালুকদার। তিনি উপজেলার বাশবাড়িয়া ইউপির খাঞ্জাপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অযোগ্য কোনো প্রার্থীকে টাকার বিনিময় নিয়োগ না দেয়ার দাবি জানান।

অভিযোগে জানানো হয়, সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি দেয় বি.ইউ.কে ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তির পর ২০ জন আবেদন করেন। এর মধ্যে বাছাইয়ে পাঁচজন বাদ পড়েন। প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ এনে ছয়জন পরীক্ষায় অংশ নেননি। বাকি নয়জন ২২ জুন পরীক্ষা দেন।

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নয়জনকে ভাইভায় ডাকে স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ভাইভার ফলাফল না দিয়েই উজানী গ্রামের দিনেশ সরকারের ছেলে তন্ময় সরকারকে নিয়োগ দেন প্রধান শিক্ষক শাম্মি আক্তার। বিনিময়ে তিনি নেন দশ লাখ টাকা। তন্ময় সরকারকে ১৬ অক্টোবর নিয়োগ দিয়ে পরদিন যোগদান করান।

শাম্মি আক্তারের যোগসাজশে অযোগ্য প্রার্থীকে প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা নেয়ার পর নিয়োগ প্রক্রিয়া সমাধান করেন। অনেক মেধাবী প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও টাকার বিনিময়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে তন্ময় সরকারকে নিয়োগ দেন প্রধান শিক্ষক।

এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে যোগ্য প্রার্থী নিয়োগের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর এবং দুদকে আবেদন করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাদত আলী মোল্যা বলেন, অভিযোগের ব্যাপারে কিছুই জানি না। অভিযোগ পেলে ক্ষতিয়ে দেখা হবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাম্মি আক্তার জানান, নিয়োগে কোনো আর্থিক বাণিজ্য ও অনিয়ম করা হয়নি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর