১০ বছর পর যমুনায় ফিরেছে ঘড়িয়াল

১০ বছর পর যমুনায় ফিরেছে ঘড়িয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:৫১ ২৯ জুন ২০২০  

যমুনা নদীতে এসেছে ঘড়িয়াল। ছবি: সুশান্ত নন্দের টুইটার থেকে সংগৃহীত।

যমুনা নদীতে এসেছে ঘড়িয়াল। ছবি: সুশান্ত নন্দের টুইটার থেকে সংগৃহীত।

মানবজীবনের স্বাভাবিক যাত্রায় বিপর্যয় ডেকে এনেছে করোনাভাইরাস। প্রাণঘাতী এ মহামারিটি অন্যান্য প্রাণীকূলের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে আর্বিভূত হয়েছে। তাই ভারতের সড়কে হরিণ, ময়ূর, লোকালয়ে ব্ল্যাক প্যান্থারসহ নানা প্রাণীর ছবি ও ভিডিও দেখা গেছে। এবার ১০ বছর পর দেশটির যমুনা নদী অংশে বিলুপ্ত প্রজাতির ঘড়িয়াল দেখা গেছে।

গত শুক্রবার ভারতের বন-কর্মকর্তা সুশান্ত নন্দ নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট টুইটারে ঘড়িয়ালের ছবি প্রকাশ করেন। তিনি তার পোস্টে লিখেন, মহামারি চলাকালীন হৃদয়ছোঁয়া সংবাদ। চাম্বল নদীর ঘড়িয়ালরা সবচেয়ে দূষিত নদী যমুনায় বাসা বাঁধতে ও বংশবৃদ্ধির জন্য বেছে নিয়েছে। প্রায় এক দশক পর এইচটি-এর প্রতিবেদনে যমুনা নদীতে কম দূষণ বিরাজ করছে। আপনি কি ভারতের ঘড়িয়ালের দক্ষিণ সীমাটি জানেন?

গত ১০ বছর আগে যমুনা নদীতে ঘড়িয়াল দেখেছিলেন সুশান্ত নন্দ। 

ভারতীয় ভূখণ্ডে ঘড়িয়াল প্রজাতি প্রায় বিপন্ন। চার থেকে সাত মিটার দৈর্ঘ্যের এ সরীসৃপ প্রাণীটি কুমির প্রজাতির। কিন্তু তার স্বভাব হিংস্র নয়। সংকীর্ণ চোয়ালের প্রাণীটির প্রধান খাদ্য মূলত নদীর মাছ। তাই এদের মেছো কুমির হিসেবে অভিহিত করা হয়।

যমুনা-সহ একাধিক নদীতে ঘড়িয়ালের অস্তিত্ব নেই। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্রেও এ প্রজাতির সংখ্যা কমেছে। লকডাউনের সময় যমুনা নদীতে প্রায় এক দশক পর দেখা গেল ঘড়িয়ালকে।

পরিবেশবিদরা জানান, ১০ বছর আগে যমুনা থেকে বিদায় নিয়েছিল ঘড়িয়াল প্রজাতি। তবে চম্বল নদীতে ঘড়িয়ালের বসবাস ছিল। লকডাউনের সময় সেখান থেকেই যমুনায় কয়েকটি মেছোকুমির ফিরে এসেছে।

চম্বল থেকে নদীর গতিপথের বিপরীতে ৩০ কিলোমিটার দূরে ডিমও দেয় তারা। সেই ডিম ফুটেই জন্ম নিয়েছে বেশ কয়েকটি শাবক। এর মধ্যে দুট শাবকের মৃত্যুর খবর দিয়েছেন স্থানীয়রা। বাকিরা সুস্থ রয়েছে বলে দাবি তাদের।

>>সুশান্ত নন্দের পোস্টটি দেখতে ক্লিক করুন<<

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ