হালিমা খাতুন স্কুল এন্ড কলেজের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

ভোলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৩:২১ ১৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২৩:২৭ ১৯ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভোলা সদর উপজেলার পরাণগঞ্জের হালিমা খাতুন গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়েছে। 

 শনিবার ক্যাম্পাসে দিনব্যাপি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সচিব ও বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান এম মোকাম্মেল হক এর ৮১তম জন্মদিন পালিত হয়েছে।  

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. টিপু সুলতানের সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সচিব এম মোকাম্মেল হক। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকাস্থ ভোলা সমিতির সভাপতি গোলাম কিবরিয়া জাহাঙ্গীর, মেজর হাসান হাফিজুল হক রুমি, নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ মাকসুদুর রহমান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি মো. ফয়সাল, কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য মুজাহিদুল হক এমরান, রিজবীন রহমান মুকুল, মুক্তিযোদ্ধা আলী আহম্মদ, প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন বাহার প্রমুখ।

অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন, কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. সফিকুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক আতিয়া নাসরিন। 

সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন, ক্রীড়া উদযাপন কমিটির আহবায়ক প্রভাষক মো. সিরাজুল ইসলাম, সদস্য সচিব সহকারী শিক্ষক মো. ইব্রাহীম খলিল, মো. সাইফুল ইসলাম, ফিরোজ কবির, নাছিমা শিরিন তুলি প্রমুখ। পরে প্রতিযোগীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও অতিথিদেরকে ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথি এম মোকাম্মেল হক বলেন, তোমরা মায়ের জাত, মায়ের ধর্ম হচ্ছে ধারণ করা এবং সন্তানকে মানুষ করে গড়ে তোলা। দুপায়ের মানুষ আর আসল মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠা অনেক পার্থক্য আছে। তোমরা মেয়েরা এগিয়ে যাবে, ভবিষ্যৎ তোমাদের হাতে। তোমাদের ছেলেমেয়েরা ভালো হলে দেশ ভালো হবে। তোমরা তোমাদেরকে কখনো ছোট বলে ভাববে না। কারণ ভবিষ্যতে তোমরাই আসল মেধা। তোমরা দেখো আমাদের প্রধানমন্ত্রী একজন মহিলা, স্পীকার মহিলা। 

তিনি বলেন, কবি মোজাম্মেল হক যে যুগে জন্ম নিয়েছেন সে যুগে মুসলমানদের কোন শিক্ষাধিক্কা ছিলো না। তারা মুসলমান সমাজকে তুলতে চেয়েছেন।  আমার পিতা কবি মোজাম্মেল হক শিক্ষা বিস্তারের জন্য নিজ উদ্যোগে ১২টি হাইস্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।  দ্বীপজেলা ভোলা একটি দেশের মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন জেলা। এ জেলায় নারী শিক্ষা অনেক পিছিয়ে রয়েছে। আমার মায়ের নামে হালিমা খাতুন গালর্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ নারী শিক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে