Alexa হাতিরঝিলে সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হবে: গৃহায়নমন্ত্রী

হাতিরঝিলে সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হবে: গৃহায়নমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৩২ ২২ জানুয়ারি ২০২০  

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

হাতিরঝিল প্রকল্পের মধ্যে শুধু বিজিএমইএ ভবন নয়, যত অবৈধ স্থাপনা আছে সবগুলো অপসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, আমরা চাই হাতিরঝিলে পানির গতি বৃদ্ধি পাক, সুন্দর ঢাকা গড়ে উঠুক।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর এসব কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় আগামী ছয় মাসের মধ্যে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ শেষ হবে বলেও জানান তিনি।

রেজাউল করিম বলেন, আমরা হাতিরঝিল প্রকল্পের বিষফোড়াখ্যাত বিজিএমইএ ভবন অত্যাধুনিক ডিভাইস দিয়ে ভাঙার পরিকল্পনা করেছিলাম। ভবন ভাঙতে প্রথমবারের মতো ডিনামাইটের ব্যবহারের চিন্তা ছিলো। তবে পরিবেশের কথা আর এ ভবনের পাশে গড়ে ওঠা পাঁচতারকা হোটেলের বিষয়টি মাথায় নিয়ে ডিনামাইট ব্যবহারের চিন্তা থেকে সরে এসেছি। 

‘এখন পরিবেশের বিষয়টি মাথায় রেখে সনাতন পদ্ধতিতে (শাবল-হাঁতুড়ি) দিয়ে ভবন ভাঙার কাজটি পরিচালিত হবে। এতে আমরা এ ভবন ভাঙার কাজ যে প্রতিষ্ঠানকে (ফোরস্টার এন্টারপ্রাইজ) দিয়েছি তাদের ছয় মাস সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। আমাদের দুটি টিম তাদের কাজ দেখভাল করবে, প্রতিটি দিনে তারা থাকবে। ছয় মাসের মধ্যেই তাদের কাজ শেষ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ভবন ভাঙার পর যেসব বর্জ্য জমা হবে প্রতিষ্ঠানটি সেগুলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে সাময়িক রাখবে। পরে সেগুলো শহরের বাইরে ফেলে দেয়া হবে। আমরা শুধু বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ শুরু করছি না, হাতিরঝিল প্রকল্পের মধ্যে যতোগুলো অবৈধ স্থাপনা আছে সবগুলো অপসারণ করা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, এ ভবন ভাঙার পর হাতিরঝিল প্রকল্পের পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে। এ প্রকল্পের গভীরতা বৃদ্ধি পাবে। এর আগে হাতিরঝিল প্রকল্পের পানিতে দুর্গন্ধ থাকতো এখন সেটা নেই। আমাদের এ প্রকল্পে প্রতিদিন পানি বিশুদ্ধ করা হচ্ছে। আমরা চাই একটি সুন্দর ঢাকা গড়তে। এজন্য সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হবে।

ফোরস্টার এন্টারপ্রাইজের পরিচালক নসরুল্লাহ খান রাশেদ বলেন, মন্ত্রী আনুষ্ঠানিক ভবন ভাঙার কাজ উদ্বোধন করেছেন। আমরা আগামী সোমবার থেকে পুরোদমে কাজ শুরু করবো। ভবন ভাঙার কাজে বুলডোজার, এক্সেভেটর, শাবল ইত্যাদি ব্যবহার হবে।

এ সময় ফায়ার সার্ভিসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, রাজউক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই