হাঁসাইগাড়ী বিলে দর্শনার্থী চলাচল নিষেধ 

হাঁসাইগাড়ী বিলে দর্শনার্থী চলাচল নিষেধ 

নওগাঁ প্রতিনিধি   ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৪৯ ৭ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৫:৫৩ ৭ আগস্ট ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী বিলের মাঝ দিয়ে চলে যাওয়া রাস্তাটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য দর্শনার্থীদের চলাফেরা বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। এছাড়া ভারী যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার থেকে নওগাঁ সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। 

জানা গেছে, সদর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা হাঁসাইগাড়ী বিল। বিলের মাঝ দিয়ে চলে গেছে পাকা রাস্তা। এ রাস্তাটি সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ও দুবলহাটি ইউপিকে যুক্ত করেছে। দুবলহাটি ইউপির গোয়ালি খামারবাড়ি থেকে হাঁসাইগাড়ী ইউপির কাটখৈর পর্যন্ত বিলের মাঝে প্রায় আট কিলোমিটার রাস্তা। বছরের অধিকাংশ সময় এ বিলে পানি থাকে। বর্ষা মৌসুমে বিলে পানি জমে এক অসাধারন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কোরবানির ঈদকে ঘিরে মানুষ একটু স্বস্তি পেতে সেখানে ছুটে যায়।

বিলের মাঝখানে হওয়ায় এবছর রাস্তাটি অনেকটা দেবে গেছে। এতে করে রাস্তার অনেক স্থানে পানি উঠেছে। কয়েকটি জায়গা ভেঙে গেছে। ঢেউয়ের কারণে রাস্তাটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার বিলে ৫টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

সদর আসনের এমপি ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন, নওগাঁ এলজিএডি নির্বাহী প্রকৌশলী মাকসুদুল আলম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক, ইউএনও মির্জা ইমাম উদ্দিন, উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ জাহিরুল হকসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দুর্ঘটনা এড়াতে দর্শনার্থীদের আনাগোনা বন্ধ ও ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

হাঁসাইগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল (সুইট) বলেন, বাতাসের কারণে গত দুইদিন ধরে বিলে ঢেউ শুরু হয়েছে। ঢেউগুলো রাস্তায় এসে আছড়ে পড়ছে। এতে করে ব্লকগুলো সরে যাচ্ছে। গোয়ালিার কাছে দ্বিতীয় ব্রিজের পাশে প্রায় আধা কিলোমিটার রাস্তা দুই পাশে ভেঙে গেছে।  

নওগাঁ সদর ইউএনও মির্জা ইমাম উদ্দিন বলেন, ওই রাস্তা দিয়ে যারা নিয়মিত যাতায়াত করেন কেবল তারাই চলাচল করতে পারবেন। দর্শনার্থী ও মালবাহী ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধ করা হয়েছে।  

নওগাঁ সদর আসনের এমপি ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন বলেন, জরুরিভাবে বাঁধ সংসারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া গাইডওয়াল নির্মাণসহ পর্যায়ক্রমে সৌন্দর্যবর্ধনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ