হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হলো মরদেহ!

হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হলো মরদেহ!

ঝালকাঠি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:০২ ৮ এপ্রিল ২০২০  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঝালকাঠির রাজাপুরের বড়ইয়া ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ আদাখোলা গ্রামের ব্যবসায়ী জাহিদ হোসেন স্বপন সিকদারকে হত্যার পর তার মরদেহ নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার সকালে নিখোঁজের দুই দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। স্বপন একই গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম ওরফে চান মিয়া সিকদারের ছেলে।

জানা যায়, স্বপনের পুটিয়াখালী বাজারে একটি মোবাইলের দোকান রয়েছে। আদাখোলা গ্রামে বাবার বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরে নিজের বাড়িতে একা থাকতো স্বপন। এক বছর আগে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় স্বপনের। সে প্রতিদিন বাবার বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া করত এবং নিজের বাড়িতে গিয়ে ঘুমাতো। মঙ্গলবার রাতে ভাত খেতে বাবার বাড়ি না আসায় বোন আসমা আক্তার ও ছোট ভাই সজিব সিকদার রাত ১০টার দিকে স্বপনের বাড়িতে যায়। অনেক ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ধাক্কা দিলে দরজা খুলে যায়। এ সময় স্বপনকে একটি জিন্সের প্যান্ট দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় আসমা ও সজিব। পরে থানায় খবর দিলে রাত ৩টার দিকে স্বপনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত স্বপনের মামা আমিনুল ইসলাম বলেন, স্বপনের সঙ্গে কারো কোনো বিরোধ ছিল কি-না  তা খোঁজ নিয়ে দেখছি। তবে স্বপনকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাজাপুর থানার এসআই শাহ আলম বলেন, প্রাথমিক সুরতহালে ২৪ ঘণ্টা আগে স্বপনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ