সৌদি তেলক্ষেত্র ও সামরিক ঘাঁটিতে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সৌদি তেলক্ষেত্র ও সামরিক ঘাঁটিতে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৫৬ ১৩ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৮:৫২ ১৩ জুলাই ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের জিজান শহরে একটি তেলক্ষেত্র ও সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা।

রোববার রাতে এই হামলা চালানো হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট এ হামলার খবর স্বীকার করলেও তা প্রতিহত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে।

এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, রাতে সৌদি আরব লক্ষ্য করে হুতিদের ছোড়া চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও তাদের পাঠানো সাতটি ড্রোনের গতিরোধ করে সেগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে।

তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি জোট বাহিনী।

জুলাইয়ের প্রথমদিকে সৌদির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছিল, হুতিরা সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পদক্ষেপ নেয়ায় ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে জোট বাহিনী।

২০১৪ সালের শেষ দিকে সৌদি-সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে রাজধানী সানা থেকে বের করে দেয় হুতি বিদ্রোহীরা। দুর্নীতিগ্রস্ত একটি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তারা লড়াই করছে বলে ওই সময় দাবি করেছিল হুতিরা।

এরপর প্রায় তিন মাসের মধ্যে হুতিরা দেশের অধিকাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিলে ২০১৫ সালের ২৫ মার্চ ইয়েমেনে হস্তক্ষেপ করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী। সৌদি আরবের নেতৃত্বে পারস্য উপসাগরীয় সুন্নি প্রধান আরব দেশগুলোর বাহিনী এই সামরিক জোটে অংশ নেয়। তারপর থেকে এই বাহিনী ইয়েমেনে শিয়া মতাবলম্বী হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে।

পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছে এক লাখেরও বেশি মানুষ। খাদ্যের অভাবে ভুগছে দেশটির কোটিরও বেশি জনগণ। ধ্বংসের মুখে পৌঁছেছে ইয়েমেনের অর্থনীতি। দেশটিতে চলমান এই সংকটকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট বলে অ্যাখায়িত করেছে জাতিসংঘ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে/মাহাদী