সোনা রোদে চোখ মেলেছে সূর্যমুখী

সোনা রোদে চোখ মেলেছে সূর্যমুখী

কাজী মফিকুল ইসলাম, আখাউড়া ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:১২ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৭:১৬ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

সূর্যমুখী গাছে গাছে ফুল ধরতে শুরু করেছে

সূর্যমুখী গাছে গাছে ফুল ধরতে শুরু করেছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় এই প্রথম সূর্যমুখী চাষ হয়েছে। এতে তৃপ্ত উপজেলার চাষিরা। এরইমধ্যে সূর্যমুখী গাছে গাছে ফুল ধরতে শুরু করেছে। ভোর হলেই সোনা রোদে চোখ মেলে ঝলমলে সূর্যমুখী। সূর্য মামার সঙ্গে সূর্যমুখীর বাগানও যেন জেগে উঠছে।

চোখ জুড়ানো এ দৃশ্য দেখা যায় উপজেলার মোগড়া ইউপির আদমপুর গ্রামে। এ ফুলের বাগান দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন আসছেন।

সবজিসহ অন্যান্য ফসলের চেয়ে খরচ কম হওয়ায় কৃষকরা সূর্যমুখী চাষে বেশি উৎসাহিত হচ্ছেন। এরইমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সূর্যমুখীর চাষে কৃষকদরে মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। তবে সূর্যমুখী চাষ এ উপজেলায় প্রথম হওয়ায় সব ধরনের সহায়তা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলার উত্তর, মোগড়া ও ধরখার ইউপিতে তিন হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। সরকারি সহায়তায় ২০ কৃষকের মাঝে সার-বীজসহ পরিচর্যার জন্য বিঘা প্রতি ১৫শ’ টাকা দেয়া হয়। বর্তমানে স্থানীয় কৃষকরা এক প্রকার ফসলের ক্ষেতে পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছনে। 

পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছনে

সূর্যমুখী গাছ লম্বায় তিন মিটার হয়। এ বীজ হাঁস-মুরগরি খাদ্য ও তেলেরে উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এ চাষ সারা বছর করা যায়। তবে অগ্রহায়ণে চাষ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

উপজলোর দক্ষিণ ইউপির সাতপাড়া গ্রামের সূর্যমুখী চাষি মো. তামজিদ খান জানান, আগে ধানসহ অন্যান্য ফসল আবাদ করতেন তিনি। এই প্রথম উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে ১৫ বিঘা জমি ইজারা নিয়ে সূর্যমুখী চাষ করেন। এজন্য কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে বীজ-সারসহ অন্যান্য উপকরণ দেয়া হয়েছে। ফসল ভালো হয়েছে। আশা করি লাভবান হবো।

উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, সূর্যমুখী চাষ করতে প্রতিটি কৃষককে সার-বীজসহ অন্যান্য উপকরণ দেয়া হয়। ফলন ভালো করতে নিয়মিত পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, এ উপজেলায় প্রতিনিয়ত সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে। প্রতি হেক্টরে এক-দেড় মেট্রিক টন ফলন হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ মৌসুমে বাম্পার ফলন হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর