Alexa সেন্টমার্টিন ভ্রমণ যেভাবে রোমাঞ্চকর করে তুলবেন

সেন্টমার্টিন ভ্রমণ যেভাবে রোমাঞ্চকর করে তুলবেন

ভ্রমণ প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:৩৬ ২১ ডিসেম্বর ২০১৯  

স্নোরকেলিং

স্নোরকেলিং

সৌন্দর্য অবলোকনের জন্য প্রতিদিন হাজারো পর্যটক সেন্টমার্টিনের দিকে ছুঁটছে। প্রবাল দ্বীপটি এতটাই সুন্দর যে শুধু দেখেই কয়েকদিন পার করে দেয়া সম্ভব। তবে রোমাঞ্চকরভাবে দিন কাটাতে চাইলেও সম্ভব।

স্নোরকেলিং

অনেকেই জানে না, সেন্টমার্টিনে স্নোরকেলিং করা যায়। এর জন্য খুব একটা প্রস্তুতির দরকার হয় না; চোখ ও নাক ঢাকার মাস্ক হলেই চলবে। সেন্টমার্টিনেই এর উপকরণ ভাড়া পাওয়া যায়। স্নোরকেলিং করার জন্য পানির খুব একটা গভীরে যেতে হয় না। বুক পানিতে সব কিছু দেখতে পাবেন। সাঁতার না জানলেও চলে। তবে স্নোরকেলিংয়ের জন্য সবচেয়ে ভালো জায়গা হলো ছেঁড়াদ্বীপ। খরচ পড়বে এক থেকে দেড় হাজার টাকা।

সমুদ্র সৈকত দেখা

সমুদ্র ভালো লাগে না এমন মানুষের দেখা পেয়েছেন কখনো? সূর্যের আলোয় সিক্ত হয়ে রুপালি ঢেউ সৈকতে আছড়ে পড়ে মিলিয়ে যায়। ঝিনুক কুড়াতে কুড়াতে সন্ধ্যা নামে। দূর সীমানায় রক্তিম সূর্য আর পানসে নীল সাগর একে অপরকে আলিঙ্গন করে। এমন অনবদ্য সৌন্দর্য দেখার জন্য একবার হলেও সেন্টমার্টিন যেতে হবে। আর অগভীর স্বচ্ছ নীলাভ সমুদ্রের পানিতে না নামলে তো সেন্টমার্টিন দেখাই বৃথা। নামার আগে অবশ্যই নিরাপদ জায়গা কোথায় শুনে নিবেন, জেটির পাশে নামবেন না।

সেন্টমার্টিনে বাইসাইকেল খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

সাইকেল চালানো

সেন্টমার্টিনে বাইসাইকেলে! চতুর্দিকে সাগর, তার মাঝে বাইসাইকেল চালানো ভাবতেই অবাক লাগে। সত্যি অনেক মজার বিষয়। দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপে ক্রমেই জনপ্রিয় উঠছে ‘বাইসাইকেল’। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদের জন্যও বাইসাইকেল একটি আকর্ষণীয় মাধ্যম। আপনি যদি সাইকেল চালাতে পারেন, তবে পুরো দ্বীপ সাইকেলে ঘুরে দেখতে পারেন। খরচ প্রতি ঘণ্টা ৪০/৫০ টাকা।

স্কুবা ডাইভিং

স্নোরকেলিং করার পর স্কুবা ডাইভিং করতে পারেন।  প্রতিবছর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সেন্টমার্টিনে স্কুবা ডাইভিং করা যায়। পানির গভীরে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে পুরোদস্তুর তৈরি হয়ে তবেই স্কুবা ডাইভিং করা যাবে। প্রশিক্ষণসহ খরচ পড়ে ৩৫০০ থেকে চার হাজার টাকার মতো। ওশেনিক স্কুবা ডাইভ সেন্টার এবং ঢাকা ডাইভারস ক্লাব সেন্টমার্টিনে রোমাঞ্চকর এই অভিযান পরিচালনা করে থাকে।

ছেঁড়া দ্বীপ ভ্রমণ

দেশের সর্ব দক্ষিণের ভূখন্ড ছেঁড়া দ্বীপ। জায়গাটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পাথর, প্রবাল এবং নারিকেল গাছে পরিপূর্ণ। জোয়ারের সময় ছেঁড়া দ্বীপের এক-তৃতীয়াংশ সাগরের পানির নিচে তলিয়ে যায়। সাগরের নীল ঢেউ যখন পাথরের গায়ে আঁচড়ে পরে তখন এক মোহনীয় দৃশ্যের অবতারণা হয়। সুনীল সাগর, আকাশ আর সূর্যাস্তের মিতালী দেখতে প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক ছেঁড়া দ্বীপে বেড়াতে আসে। এছাড়া ছেঁড়া দ্বীপে চাঁদের আলোয় যাদুকরী মুগ্ধতার সৃষ্টি হয়। তাই অনেকে পূর্নিমার রাতে ক্যাম্পিং করতে আসেন এই অপূর্ব ছেঁড়া দ্বীপে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে