Alexa সেই বিস্কুট চোর প্রধান শিক্ষকের বিচার চান জমিদাতা

সেই বিস্কুট চোর প্রধান শিক্ষকের বিচার চান জমিদাতা

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:২১ ২২ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ২১:২৩ ২২ অক্টোবর ২০১৯

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ব্যাগভর্তি (১০০ প্যাকেট) বিস্কুট লুকিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রধান শিক্ষক মো. সহিদুল ইসলামকে আটক করে এলাকাবাসী। বিস্কুট চুরির বিচার দাবি করে মঙ্গলবার ডিসি ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অভিযোগ দিয়েছেন ওই বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য মো. রেজাউল করিম সেলিম।

সরকার দরিদ্র পীড়িত এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীদেরকে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের আওতায় বিস্কুট প্রদান করে। ওই বিস্কুটগুলো গত শনিবার (১৯ অক্টোবর) বাউরা ইউপির সামনে দিয়ে প্রধান শিক্ষক সহিদুল ইসলাম নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় সন্দেহবশত ব্যাগের চেইন খুলে ১০০ প্যাকেট বিস্কুট দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন।

এ সময় ওই ইউপির ৮নং সদস্য মো. আনিছুর রহমান মানিকের উপস্থিতিতে লোকজন মোবাইল ফোনে ছবি ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় পুরো উপজেলায় ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

মো. রেজাউল করিম সেলিম বলেন, প্রায়ই গোপনে সহিদুল ইসলাম বিদ্যালয় থেকে বিস্কুট বাড়িতে নিয়ে যায়। যেহেতু তাকে হাতে নাতে ১০০ প্যাকেট বিস্কুটসহ লোকজন আটক করেছে। এজন্য আমি লিখিতভাবে ডিসি, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইউএনও ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ওই প্রধান শিক্ষকের অপকর্মের বিচার চেয়ে অভিযোগ দিয়েছি।

প্রধানশিক্ষক মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। কৌশল করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমার ব্যাগে কাগজপত্র ছিল তার উপরে ছেঁড়া-ফাঁটা বিস্কুটের প্যাকেটগুলো উপজেলা অফিসে ফেরত দেয়ার জন্য নিয়েছিলাম।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ