সূরা বাকারা: ২৫৫-২৬৪ আয়াত নাজিলের প্রেক্ষাপট ও অর্থ (পর্ব-১২)

সূরা বাকারা: ২৫৫-২৬৪ আয়াত নাজিলের প্রেক্ষাপট ও অর্থ (পর্ব-১২)

মাওলানা ওমর ফারুক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:২৮ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৬:৩০ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০

সূরা: বাকারা, আয়াত: ২৫৫

সূরা: বাকারা, আয়াত: ২৫৫

আমরা এখানে সূরা বাকারার ২৫৫-২৬৪ নম্বর আয়াতসমূহ থেকে উল্লখযোগ্য শানেনুযুল (আয়াত নাজিলের প্রেক্ষাপট) তুলে ধরছি-

اللهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّوْمُ لاَ تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلاَ نَوْمٌ لَّهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلاَّ بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلاَ يُحِيْطُوْنَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلاَّ بِمَا شَاءَ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ وَلاَ يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيْمُ.
অর্থ: আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক। তাকে তন্দ্রা অথবা নিদ্রা স্পর্শ করে না। আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সমস্ত তারই। কে সে, যে তার অনুমতি ব্যতীত তার নিকট সুপারিশ করবে? তাদের সম্মুখে ও পশ্চাদে যা কিছু তা তিনি জানেন। যা তিনি ইচ্ছা করেন তা ছাড়া তার জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ব করতে পারে না। ‘তার কুরসি’ আকাশ ও পৃথিবীময় পরিব্যপ্ত। এদের রক্ষণাবেক্ষণ তাকে ক্লান্ত করে না। তিনি মহান, তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ। (আয়াত-২৫৫)।

আরো পড়ুন>>> সূরা বাকারা: ২৩৮-২৫৪ নম্বর আয়াত নাজিলের প্রেক্ষাপট ও অর্থ (পর্ব-১১)

শানে নুযুল : বনী ইসরাঈলদের অনুরোধে একদা হজরত মুসা (আ.) ফেরেশতাদের প্রশ্ন করেন, আল্লাহ তায়ালা কি কখনো নিদ্রা যান? অতঃপর আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদের মাধ্যমে হজরত মূসা (আ.)- কে একাধারে তিন দিন নিদ্রা না যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। ফেরেশতারা তাই করেন। অতঃপর পরবর্তী রাত্রে হজরত মূসা (আ.) এর দু’হাতে দু’টি বোতল দিয়ে বলা হয়, এ বোতল দু’টিকে দু’হাতে ধরে রাখুন। তিনি তা-ই করলেন। রাত্রি যতই গভীর হতে থাকে ততই তিনি নিদ্রাচ্ছান্ন হয়ে পড়েন। শত চেষ্টা করেও নিদ্রার প্রভাব কাটিয়ে উঠতে পারছিলেন না। অবশেষে তিনি নিদ্রামগ্ন হয়ে পড়েন। ফলে বোতল দু’টি হাত হতে পড়ে ভেঙ্গে যায়। তখন ফেরেশতারা বলেন, হে মূসা (আ.)! নিদ্রার প্রভাবে দু’টি বোতলকে আপনি ঠিক রাখতে পারলেন না। আল্লাহ তায়ালা যদি নিদ্রা যান তাহলে এ বিশাল বিশ্বকে কিভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করেন? সে ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে আল্লাহ তায়ালা অত্র আয়াতে উম্মতে মুহাম্মদীর প্রতি আল্লাহর গুণাবলি ও বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন।

لاَ إِكْرَاهَ فِي الدِّينِ قَد تَّبَيَّنَ الرُّشْدُ مِنَ الْغَيِّ
অর্থ : দ্বীনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি বা বাধ্য বাধ্যকতা নেই। নিঃসন্দেহে হেদায়েত গোমরাহী থেকে পৃথক হয়ে গেছে। এখন যে গোমরাহকারী তাগুতদেরকে অস্বীকার করেছে এবং আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে। সে ধারণ করে নিয়েছে সুদৃঢ় হাতল যা ভাঙবার নয়। আল্লাহ সবই শুনেন এবং জানেন। (আয়াত-২৫৬)।

শানে নুযুল : হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে যে, উক্ত আয়াত বনু সালেম বিন আউফের হুসাইন নামক জনৈক আনসারী সাহাবির সর্ম্পকে নাজিল হয়েছে। তার দুই পুত্র খৃষ্টান ছিল। তিনি নবী করিম (সা.) এর দরবারে এসে আরজ করলেন, আমার ছেলে দু’টি খৃষ্টান ধর্ম ত্যাগ করতে মোটেই সম্মত হচ্ছে না। তাদের কি বাধ্য করতে পারি ? তখন উক্ত আয়াত নাজিল হয়।

اللّهُ وَلِيُّ الَّذِينَ آمَنُواْ يُخْرِجُهُم مِّنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّوُرِ وَالَّذِينَ كَفَرُواْ أَوْلِيَآؤُهُمُ الطَّاغُوتُ يُخْرِجُونَهُم مِّنَ النُّورِ إِلَى الظُّلُمَاتِ أُوْلَـئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
অর্থ : যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহ তাদের অভিভাবক। তাদেরকে তিনি বের করে আনেন অন্ধকার থেকে আলোর দিকে। আর যারা কুফরী করে তাদের অভিভাবক হচ্ছে তাগুত। তারা তাদেরকে আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়। এরাই হলো দোজখের অধিবাসী, চিরকাল তারা সেখানেই থাকবে। (আয়াত-২৫৭)।

أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِي حَآجَّ إِبْرَاهِيمَ فِي رِبِّهِ أَنْ آتَاهُ اللّهُ الْمُلْكَ إِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّيَ الَّذِي يُحْيِـي وَيُمِيتُ قَالَ أَنَا أُحْيِـي وَأُمِيتُ قَالَ إِبْرَاهِيمُ فَإِنَّ اللّهَ يَأْتِي بِالشَّمْسِ مِنَ الْمَشْرِقِ فَأْتِ بِهَا مِنَ الْمَغْرِبِ فَبُهِتَ الَّذِي كَفَرَ وَاللّهُ لاَ يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ
অর্থ : তুমি কি সে লোককে দেখনি, যে পালনকর্তার ব্যাপারে বাদানুবাদ করেছিল ইব্রাহিমের সঙ্গে এ কারণে যে, আল্লাহ সে ব্যক্তিকে রাজ্য দান করেছিলেন? ইব্রাহিম যখন বললেন, আমার পালনকর্তা হলেন তিনি, যিনি জীবন দান করেন এবং মৃত্যু ঘটান। সে বলল, আমি জীবন দান করি এবং মৃত্যু ঘটিয়ে থাকি। ইব্রাহিম বললেন, নিশ্চয়ই তিনি সূর্যকে উদিত করেন পূর্ব দিক থেকে। এবার তুমি তাকে পশ্চিম দিক থেকে উদিত কর। তখন সে কাফের হতভম্ব হয়ে গেল। আর আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়কে সরল পথ প্রদর্শন করেন না। (আয়াত-২৫৮)।

أَوْ كَالَّذِي مَرَّ عَلَى قَرْيَةٍ وَهِيَ خَاوِيَةٌ عَلَى عُرُوشِهَا قَالَ أَنَّىَ يُحْيِـي هَـَذِهِ اللّهُ بَعْدَ مَوْتِهَا فَأَمَاتَهُ اللّهُ مِئَةَ عَامٍ ثُمَّ بَعَثَهُ قَالَ كَمْ لَبِثْتَ قَالَ لَبِثْتُ يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍ قَالَ بَل لَّبِثْتَ مِئَةَ عَامٍ فَانظُرْ إِلَى طَعَامِكَ وَشَرَابِكَ لَمْ يَتَسَنَّهْ وَانظُرْ إِلَى حِمَارِكَ وَلِنَجْعَلَكَ آيَةً لِّلنَّاسِ وَانظُرْ إِلَى العِظَامِ كَيْفَ نُنشِزُهَا ثُمَّ نَكْسُوهَا لَحْمًا فَلَمَّا تَبَيَّنَ لَهُ قَالَ أَعْلَمُ أَنَّ اللّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
অর্থ : তুমি কি সে লোককে দেখনি যে এমন এক জনপদ দিয়ে যাচ্ছিল যার বাড়িঘরগুলো ভেঙ্গে ছাদের ওপর পড়ে ছিল? বলল, কেমন করে আল্লাহ মরণের পর একে জীবিত করবেন? অতঃপর আল্লাহ তাকে মৃত অবস্থায় রাখলেন একশ বছর। তারপর তাকে উঠালেন। বললেন, কতকাল এভাবে ছিলে? বলল আমি ছিলাম, একদিন কিংবা একদিনের কিছু কম সময়। বললেন, তা নয়; বরং তুমি তো একশ বছর ছিলে। এবার চেয়ে দেখ নিজের খাবার ও পানীয়ের দিকে-সেগুলো পচে যায়নি এবং দেখ নিজের গাধাটির দিকে। আর আমি তোমাকে মানুষের জন্য দৃষ্টান্ত বানাতে চেয়েছি। আর হাড়গুলোর দিকে চেয়ে দেখ যে, আমি এগুলোকে কেমন করে জুড়ে দেই এবং সেগুলোর ওপর মাংসের আবরণ পরিয়ে দেই। অতঃপর যখন তার ওপর এ অবস্থা প্রকাশিত হলো, তখন বলে উঠল-আমি জানি, নিঃসন্দেহে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল। (আয়াত-২৫৯)।

وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ أَرِنِي كَيْفَ تُحْيِـي الْمَوْتَى قَالَ أَوَلَمْ تُؤْمِن قَالَ بَلَى وَلَـكِن لِّيَطْمَئِنَّ قَلْبِي قَالَ فَخُذْ أَرْبَعَةً مِّنَ الطَّيْرِ فَصُرْهُنَّ إِلَيْكَ ثُمَّ اجْعَلْ عَلَى كُلِّ جَبَلٍ مِّنْهُنَّ جُزْءًا ثُمَّ ادْعُهُنَّ يَأْتِينَكَ سَعْيًا وَاعْلَمْ أَنَّ اللّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌ
অর্থ: আর স্মরণ কর, যখন ইব্রাহিম বলল, হে আমার পালনকর্তা! আমাকে দেখাও, কেমন করে তুমি মৃতকে জীবিত করবে। বললেন; তুমি কি বিশ্বাস কর না? বলল, অবশ্যই বিশ্বাস করি, কিন্তু দেখতে এজন্যে চাইছি যাতে অন্তরে প্রশান্তি লাভ করতে পারি। বললেন, তাহলে চারটি পাখি ধরে নাও। পরে সেগুলোকে নিজের পোষ মানিয়ে নাও, অতঃপর সেগুলোর দেহের একেকটি অংশ বিভিন্ন পাহাড়ের ওপর রেখে দাও। তারপর সেগুলোকে ডাক; তোমার নিকট দৌড়ে চলে আসবে। আর জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী, অতি জ্ঞান সম্পন্ন। (আয়াত-২৬০)।

مَّثَلُ الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ أَنبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ
অর্থ : যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি বীজের মতো, যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। প্রত্যেকটি শীষে রয়েছে একশটি করে দানা। আর আল্লাহ পাক যার জন্য ইচ্ছা বাড়িয়ে দেন আর আল্লাহ অতি দানশীল, সর্বজ্ঞ। (আয়াত-২৬১)।

শানে নুযুল : গাযওয়ায়ে তাবুকের মধ্যে হজরত উসমান (রা.) মুসলিম বাহিনীর সাহাযার্থে এক হাজার বাহন দান করেন, তন্মধ্যে সাড়ে দশ আরবি ঘোড়া এবং পঞ্চাশটি উট ছিল। অণুরূপভাবে হজরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) চার হাজার দীনার নগদ দান করেন। তাদের সম্পর্কে উক্ত আয়াত নাজিল হয়। (কুরতুবী ৩: ৩০৩, বায়যাবী ১৭৩)।

الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ثُمَّ لاَ يُتْبِعُونَ مَا أَنفَقُواُ مَنًّا وَلاَ أَذًى لَّهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ.
অর্থ: যারা আল্লাহর ধন-ঐশর্যের ব্যয় করে অতঃপর যা ব্যয় করে তার কথা বলে বেড়ায় না এবং ক্লেশও দেয় না তাদের পুরস্কার তাদের প্রতিপালকের নিকট রয়েছে। তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না। (আয়াত-২৬২)।

শানে নুযুল : রুহুল মা’আনী, কুরতুবী ও বায়যাবী শরিফে বর্ণিত হয়েছে, যে, তাবুকের যুদ্ধে হজরত ওসমান (রা.) ইসলামি ফৌজের সাহায্যের জন্য এক হাজার গদি সজ্জিত উট ও এক হাজার দীনার দান করেছিলেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোয়া করলেন।

يَا رَبِّ! عُثْمَانُ رَضِيْتُ عَنْهُ فَارْضِ عَنْهُ.
অর্থাৎ হে প্রভু! আমি ওসমানের প্রতি সন্তুষ্ট, তুমিও তার প্রতি সন্তুষ্ট হও। হজরত আব্দুর রহমান ইবনে আওফ রা. তাঁর সম্পদ থেকে চার হাজার দিরহাম দান করেছিলেন। তাঁদের সম্পর্কে উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয়।

قَوْلٌ مَّعْرُوفٌ وَمَغْفِرَةٌ خَيْرٌ مِّن صَدَقَةٍ يَتْبَعُهَا أَذًى وَاللّهُ غَنِيٌّ حَلِيمٌ
অর্থ : নম্র কথা বলে দেয়া এবং ক্ষমা প্রদর্শন করা ওই দান খয়রাত অপেক্ষা উত্তম, যার পরে কষ্ট দেয়া হয়। আল্লাহ তায়ালা সম্পদশালী, সহিষ্ণু। (আয়াত-২৬৩)।

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تُبْطِلُواْ صَدَقَاتِكُم بِالْمَنِّ وَالأذَى كَالَّذِي يُنفِقُ مَالَهُ رِئَاء النَّاسِ وَلاَ يُؤْمِنُ بِاللّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ صَفْوَانٍ عَلَيْهِ تُرَابٌ فَأَصَابَهُ وَابِلٌ فَتَرَكَهُ صَلْدًا لاَّ يَقْدِرُونَ عَلَى شَيْءٍ مِّمَّا كَسَبُواْ وَاللّهُ لاَ يَهْدِي الْقَوْمَ الْكَافِرِينَ
অর্থ: হে ঈমানদাররা! তোমরা অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে এবং কষ্ট দিয়ে নিজেদের দান খয়রাত বরবাদ করো না সে ব্যক্তির মতো যে নিজের ধন-সম্পদ লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ব্যয় করে এবং আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে না। অতএব, এ ব্যাক্তির দৃষ্টান্ত একটি মসৃণ পাথরের মত যার ওপর কিছু মাটি পড়েছিল। অতঃপর এর ওপর প্রবল বৃষ্টি বর্ষিত হলো, অনন্তর তাকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দিল। তারা ওই বস্তুর কোনো সওয়াব পায় না, যা তারা উপার্জন করেছে। আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শন করেন না। (আয়াত-২৬৪)। চলবে...

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে