সীমান্তে উত্তেজনা হ্রাসে ফের চীন-ভারত কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক

সীমান্তে উত্তেজনা হ্রাসে ফের চীন-ভারত কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:২২ ২ আগস্ট ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

পূর্ব লাদাখ সীমান্তে চলমান উত্তেজনা নিরসনে ফের কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠকে বসেছে চীন ও ভারত।

রোববার স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় চীনের চুশুল মলডো অংশে কর্নেল পদমর্যাদার এই বৈঠক শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। গত মার্চ মাসের পর থেকে দু’দেশের মধ্যে এটি পঞ্চম সামরিক বৈঠক।

খবরে বলা হয়েছে, বদ্ধপরিকর উভয় দেশ। দ্বিপক্ষীয় এই বৈঠকে সীমান্ত রেখা (এলএসি) থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে আসা বিষয়ে সমঝোতা হতে পারে।

তবে কর্নেল পদমর্যাদার এই বৈঠকের মধ্যেও উদ্বেগ বিরাজ করছে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে। তাদের মতে, প্যাংগং লেকে এখনও চীনের সেনাবাহিনীর নজরদারি নৌকা চোখে পড়েছে। শীতের পোশাক সংগ্রহের হিড়িক পড়েছে সীমান্তে। এটি চীনা সেনাবাহিনীর বড় উদ্যোগ বলে মনে করছেন ভারতীয় কর্মকর্তা।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে খবরে বলা হয়েছে, বিতর্কিত এলাকা থেকে সরে আসার প্রক্রিয়া শেষ করতেই এই কূটনৈতিক উদ্যোগ।

লাদাখ সীমান্তে ভারত-চীন উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে দুই দেশের তরফ থেকেই সহমত হয়ে বিতর্কিত এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভারতের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে অভিযোগ করা হয় যে, লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পুরোপুরি সেনা সরায়নি চীন। যদিও বুধবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, দুই দেশের পক্ষ থেকেই নিজেদের সেনাবাহিনীকে গালওয়ান উপত্যকা, হট স্প্রিংস এবং কনকা পাস ও পাংগং হ্রদ এই তিনটি জায়গা থেকে পুরোপুরি সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

অবশ্য চীনা দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করেননি ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহারের বিষয়ে দুই দেশই সম্মতি দিলেও এখনো পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহারের কাজ শেষ হয়নি। চীন এখনো তাদের সব সেনা সরায়নি বলেই অভিযোগ তার।

ভারত-চীন সীমান্ত সমস্যা নিয়ে কথা বলার সময় অনুরাগ শ্রীবাস্তব আবারো দু'দেশের মধ্যে সামরিক ও কূটনৈতিক আলোচনার কথা তুলে ধরে মনে করিয়ে দেন যে, সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার উপরই নির্ভর করছে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়টি।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী