সিলেটে শ্রমিক নেতা হত্যায় ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সিলেটে শ্রমিক নেতা হত্যায় ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সিলেট প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৪৪ ১১ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৭:০৭ ১১ জুলাই ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সিলেটে ট্যাংক লরি শ্রমিক নেতা ইকবাল হোসেন রিপনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে ২০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে নিহতের স্ত্রী ফারজানা আক্তার তমা বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলাটি করেন।

আসামিরা হলেন বরইকান্দি ১ নম্বর রোডের ফরিদের ছেলে ইজাজুল, ফারুক মিয়ার ছেলে রিমু, আব্দুল করিম মনজ্জিরের ছেলে মুহিবুর রহমান মুন্না, আসদ্দর আলীর ছেলে মোস্তফা, বশির মিয়ার ছেলে মিন্টু, লিলু মিয়ার ছেলে সেবুল, চান মিয়ার ছেলে কাইয়ুম, ফারুক মিয়ার ছেলে বদরুল, ফরিদ মিয়ার ছেলে ইসমাইল, স্থানীয় সাঙ্গু গ্রামের কবির মিয়ার ছেলে নোমান, রেলওয়ে আইডব্লিউ শাখার আকবর হোসেন মজুমদার, সিলেট রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মতিন ভুইয়া ও ওয়ার্কার সুপারভাইজার শহিদুল হক। 

এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতাররা হলেন বরইকান্দি ১ নম্বর রোডের মাসুদ আহমদের কবিরের ছেলে নোমান আহমদ ও একই এলাকার বশির মিয়ার ছেলে আতাউর রহমান সাদ্দাম।

এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে দক্ষিণ সুরমার কদমতলী এলাকার বাবনা পয়েন্টের সিতারা হোটেলের সামনে দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত হন ট্যাংক লরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রিপন ও তার সঙ্গে থাকা শ্রমিক নেতা বাবলা আহমদ তালুকদার। পরে তাদেরকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে রিপনের মৃত্যু হয়। 

নিহত ইকবাল হোসেন রিপন দক্ষিণ সুরমার খোজার খলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে ও আহত বাবলা আহমদ তালুকদার একই গ্রামের মোক্তার আহমদ তালুকদারের ছেলে।

এ ঘটনায় হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে শুক্রবার রাত ১১টা থেকে শনিবার বেলা ২টা পর্যন্ত দক্ষিণ সুরমার বাবনা পয়েন্ট, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চন্ডিপুল, হুমায়ুন রশীদ চত্বর, পারাইরচক পয়েন্ট অবরোধ করে রাখেন শ্রমিকেরা। এতে সিলেট নগরীর প্রবেশমুখের সবকটি সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি খায়রুল ফজল জানান, শ্রমিক নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় শনিবার দুপুরে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। এর আগে এ ঘটনায় নোমান ও সাদ্দাম নামে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ