সিলেটে বসতে পারে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের সব ম্যাচ

সিলেটে বসতে পারে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের সব ম্যাচ

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১০:১৩ ৫ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৫:৩৫ ৫ জুলাই ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাইপর্বে বাংলাদেশের বাকি আছে চারটি ম্যাচ। কাতারের বিপক্ষে একটি অ্যাওয়ে ম্যাচ ছাড়া আফগানিস্তান, ভারত ও ওমানের বিপক্ষে ম্যাচগুলো নিজেদের ঘরের মাঠে খেলবে জামাল ভূঁইয়ার দল। এই তিন ম্যাচের সবগুলোরই আয়োজক হতে পারে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম।

প্রথমোক্ত দুটি ম্যাচের ভেন্যু একপ্রকার চূড়ান্ত হয়ে আছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে অনুষ্ঠিতব্য ৮ অক্টোবরের ম্যাচটি সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত হবে এটি প্রায় সকলেই জানেন। এছাড়া কাতারের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে দেশটির জসিম বিন হামাদ স্টেডিয়ামে। ভারত ও ওমানের বিপক্ষে ম্যাচের ভেন্যুর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত না এলেও সিলেটেই আয়োজিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে শোনা যাচ্ছে। 

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারত ও ওমানের বিপক্ষে ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করবে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের ভেন্যু তো আগে থেকেই চূড়ান্ত। তবে করোনাভাইরাসের কারণে এখন নতুন করে সব ভাবতে হচ্ছে।

ফিফা ও এএফসির নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি দলের জন্য আলাদা করে আবাসন ব্যবস্থা, আইসোলেশন ক্যাম্প, কোভিড-১৯ টেস্ট, আলাদা অনুশীলন ভেন্যু রাখতে হবে। ফলে দুটি ভেন্যু প্রস্তুত করার এতসব ঝক্কি-ঝামেলার মধ্যে যেতে চাইছে না বাফুফে। সেক্ষেত্রে তিনটি ম্যাচের জন্য একটি ভেন্যুই নির্ধারণ করার সম্ভাবনা বেশি। 

এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না এলেও বাফুফের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ এমন কিছুরই আভাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ম্যাচ শুরুর এখনো তিন মাসেরও বেশি বাকি। এই সময়ে পরিস্থিতি কেমন হবে সেটা আগেই বলা কঠিন। কিন্তু ভেন্যু প্রস্তুতের কাজ তো আগে থেকেই শুরু করতে হবে। সিলেটে যেমন আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য কাজ শুরু হয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, তিনটি ম্যাচের জন্য দুটি ভেন্যু প্রস্তুত করা থেকে শুরু করে দুই শহরেই অন্যান্য সব সুযোগ-সুবিধা ব্যবস্থা করা কঠিন হয়ে যাবে। পরিস্থিতি আগের মতো থাকলে কথা ছিল না। কিন্তু এখন আমরা একটি ভেন্যুর কথাই ভাবছি। সেক্ষেত্রে বলতে পারি সিলেটের সম্ভাবনাই বেশি। কয়েকদিন পরই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারব।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল/আরআর