সিনহা হত্যায় প্রদীপ-লিয়াকতসহ সাত পুলিশ বরখাস্ত

সিনহা হত্যায় প্রদীপ-লিয়াকতসহ সাত পুলিশ বরখাস্ত

কক্সবাজার প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২৩:৪৬ ৭ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ২০:১৭ ৮ আগস্ট ২০২০

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় গ্রেফতার সাত পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের বরখাস্ত করা হয়।

পুলিশ সদর দফতরের সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শক সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বরখাস্ত হওয়া সাত পুলিশ সদস্য হলেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী, কনস্টেবল সাফানুর করিম, এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া।

এর আগে তাদের সবাইকে টেকনাফ থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

গত বুধবার ৯ পুলিশ সদস্যের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন সিনহা রাশেদের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। তাদের মধ্যে সাত আসামি বৃহস্পতিবার কক্সবাজার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। শারমিন ফেরদৌসের করা হত্যা মামলার তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাবের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিনজনকে (প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলী, সাফানুর করিম) সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে র‌্যাব। বাকি চারজনকে (নন্দ দুলাল রক্ষিত, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন এবং লিটন মিয়া) জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি পেয়েছে র‌্যাব। পরে আদেশ পরিবর্তন করে সাতজনকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন আদালত।

এই মামলার অপর দুই আসামি টুটুল ও মোস্তফাকে পলাতক দেখিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

কক্সবাজারের টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর পুলিশ তল্লাশিচৌকিতে গত ৩১ জুলাই রাতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান। 

এ ঘটনার বিচার চেয়ে গত বুধবার কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন নিহতের বড় বোন শারমিন। আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ মামলাটি গ্রহণ করেন। তিনি এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে সাত দিনের মধ্যে আদালতকে অবহিত করতে টেকনাফ থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি মামলাটি তদন্ত করে আদালতকে জানানোর জন্য র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ক্যাম্পের অধিনায়ককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ/আরএ/এইচএন/টিআরএইচ