সিনহা হত্যার ঘটনায় গণশুনানি রোববার

সিনহা হত্যার ঘটনায় গণশুনানি রোববার

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০০:৩৭ ১৩ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১১:৫৬ ১৩ আগস্ট ২০২০

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান

পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে গণশুনানি করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি। ১৬ আগস্ট সকাল ১০টায় টেকনাফের শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জের (সিআইসি) কার্যালয়ে এই শুনানি হবে। শুনানিতে প্রত্যক্ষদর্শীদের উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও তদন্ত কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

এ ঘটনায় ৫ আগস্ট কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া শামলাপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. লিয়াকতসহ ৯ জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা করেন নিহতের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানার ওসিকে মামলাটি এফআইআর হিসেবে রুজু এবং র‌্যাব-১৫ কে তদন্তের নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, আদালতের আদেশ মতে মামলাটি বুধবার রাতেই টেকনাফ মডেল থানায় নিয়মিত একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

প্রদীপ ও লিয়াকত ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- এসআই নন্দলাল রক্ষিত, এসআই টুটুল, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও কনস্টেবল মো. মোস্তফা। এ মামলায় নিহত সিনহা রাশেদ খানের সঙ্গী সাহেদুল ইসলাম সিফাতসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজার আদালতে র‌্যাবের করা রিমান্ড আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে তিনজনকে সাতদিন করে রিমান্ড ও চারজনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয় আদালত। পরে এ আদেশ পরিবর্তন করে সাতজনকেই রিমান্ড দেয়া হয়। ওই সময় বাকি দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

এর আগে, প্রদীপ কুমার দাশ ও টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর তদন্তকেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ সাতজনকে একসঙ্গে আদালতে হাজির করা হয়। বাকি দুই আসামি শেষ মুহূর্তে আত্মসমর্পণ করেননি। প্রদীপ কুমার দাশকে চট্টগ্রাম থেকে পুলিশ হেফাজতে কক্সবাজার আদালতে নেয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর/এইচএন