Alexa সিংগাইরে প্রস্তুত ২০ হাজার পশু

সিংগাইরে প্রস্তুত ২০ হাজার পশু

মাসুম বাদশাহ. সিংগাইর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:৫২ ৫ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ১৩:৫৩ ৫ আগস্ট ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ব্যস্ত সময় কাটছে পশুর খামারিদের। এবারের ঈদে এ উপজেলার মানুষের চাহিদা মেটাতে খামারগুলোতে প্রস্তুত করা হচ্ছে ২০ হাজার পশু।

এ উপজেলায় চারটি স্থায়ী পশুর হাট রয়েছে। এছাড়া রাজধানীর গাবতলী হাটেও নেয়া হচ্ছে কোরবানির পশু। তাই এবারের ঈদে ভালো দামে পশু বিক্রির আশা করছেন উপজেলার এক হাজার ৫০ জন খামারি ও মৌসুমি ব্যবসায়ী।

এবারের ঈদে রাজকীয় শারীরিক গঠন আর দামের কারণে আলোচনায় এসেছে সিংগাইরের কয়েকটি পশু। এরমধ্যে সিংগাইর পৌর এলাকার আজিমপুরের ৪৫ মণের ‘বাবু রাজ’, সদর ইউপির ৩০ মণের ‘কালো মানিক’ উল্লেখযোগ্য।

আজিমপুরের খামারি আয়নাল হক বলেন, এবার ক্রেতা-ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি প্রশাসনও সচেতন। তাই কোরবানির পশু মোটাতাজা করতে কোনো ধরনের কেমিক্যাল বা ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে না। সবগুলো খামারেই পশুকে প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। এছাড়া নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ ও চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এবার সব পশুই সুস্থ অবস্থায় কোরবানির হাটে যাবে।

সিংগাইর সদর ইউপির খামারি নাজিম উদ্দিন বলেন, এবারের ঈদে আমাদের উপজেলা থেকে তিন হাজার দেশি গরু-ছাগলের পাশাপাশি শংকর, ফ্রিজিয়ান, লোকাল ক্রস, নেপালি, শাহিয়াল জাতের ২০ হাজার পশু হাটে উঠবে। প্রায় সব পশুই ৫০ হাজার থেকে ১০ লাখ টাকায় বিক্রির যোগ্য।

উপজেলার বায়রা ইউপির চাড়াভাঙ্গা গ্রামের ব্যাবসায়ী মো. ইউসুফ বলেন, এ বছর আমার খামার থেকে ৩০টি দেশি গরু হাটে নেয়া হবে। এগুলোর দাম হবে ৬০ হাজার থেকে তিন লাখ টাকা। 

সিংগাইর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফারুক আহাম্মদ বলেন, পশু মোটাতাজা করতে এ উপজেলায় কখনোই কেমিক্যাল, স্টেরয়েড বা ওষুধ ব্যবহার করা হয় না। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার ও স্বাস্থ্য পরিচর্যার মাধ্যমে খামারিরা পশু মোটাতাজা করেন। এ উপজেলার পশুগুলোর দেহে ভিটামিনের অভাব হয় না। তাই বিভিন্ন হাটে সিংগাইরের পশুর সুনাম ও কদর রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর