Alexa সাড়ে তিন বছর পর টনিক হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন

সাড়ে তিন বছর পর টনিক হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন

যশোর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:০৫ ২০ অক্টোবর ২০১৯  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

হত্যাকাণ্ডের প্রায় সাড়ে তিন বছর পর নড়াইলের লোহাগড়ার আমিরুল ইসলাম টনিক হত্যামামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যশোর। হত্যাকাণ্ডে জড়িত এক আসামি আটকের পর পিবিআই এ রহস্য উদ্ঘাটন করে। 

আটক সজিব খান হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে নড়াইলের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সজিব নড়াইলের লোহাগড়ার তালবাড়িয়া গ্রামের সবুর খানের ছেলে। 

এর আগে ২০১৬ সালে সৌদি প্রবাসী টনিকের বাড়িতে টাকা চুরি করতে গিয়ে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটে। 

পিবিআই যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমকেএইচ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে দুর্বৃত্তরা সৌদিপ্রবাসী নড়াইলের লোহাগড়ার নোয়াগ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে আমিরুল ইসলাম টনিকের বাড়িতে হানা দেয়। বাড়ির গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশের পর আলমারি খোলার সময় টনিকের ঘুম ভেঙ্গে গেলে সে একজনকে চিনে ফেলে। এ সময় চোরেরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে নড়াইল এবং পরে খুলনা ও ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ ফেব্রুয়ারি তার মৃত্যু হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি টনিকের ভাই আবু সাঈদ শেখ লোহাগড়া থানায় মামলা করেন। 

দীর্ঘ সাড়ে তিন বছরেও এ মামলার কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় ৪ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে পিবিআই যশোর।   

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই’র এসআই শরিফুল ইসলাম জানান, মামলার কাগজপত্র গ্রহণ করে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বিভিন্ন সূত্র ও তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুক্রবার রাতে আসামি সজিব খানকে আটক করা হয়। 

আটক সজিব জবানবন্দিতে জানান, টনিকের আপন চাচাতো ভাই তুষার শেখ ওই চুরির পরিকল্পনা করে। তার সঙ্গে ছিল জিল্লু ও মনিরুল মোল্যা। তারাই সজিবকে চুরি করতে নিয়ে যায়। এরপর ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আটক সজিব শনিবার নড়াইলের আদালতেও ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস