দূরবীনপ্রথম প্রহর

সাতক্ষীরায় রবিশস্যে হতাশ কৃষক

সাতক্ষীরা প্রতিনিধিডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সাতক্ষীরায় শীতকালীন সবজির ন্যায্য দাম না থাকায় হতাশ কৃশকরা। চলতি মৌসুমে কেজিতে ৮ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কম দামে সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ী ও আড়তদাররা বলছেন স্থানীয় ছাড়াও জেলার বাইরে থেকে সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমতির দিকে। ফলে উৎপাদন খরচ তুলতে পারবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছে জেলার সবজি চাষিরা।

সদর উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের সবজি চাষি আমজাদ হোসেন বলেন, চলতি মৌসুমে দুই বিঘা জমিতে সবজি চাষ করে। এরমধ্যে দেড় বিঘাতে ফুলকপি এবং আধা বিঘাতে বাঁধাকপি। এ পর্যন্ত দুবার ফুলকপি তুলে বিক্রি করে সে। কিন্ত বাজারে ফুলকপির যে দাম পাওয়া যাচ্ছে তাতে হতাশ তিনি।

একই উপজেলার আগড়দাড়ি গ্রামের কৃষক নুরুল আমিন বলেন, বারো মাসই নানা ধরনের সবজি উৎপাদন করেন। চলতি মৌসুমে তিন বিঘা জমিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও পালন শাক চাষ করেছেন। কিন্ত বাজারে সবজির ভালো দাম না থাকায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন এই কৃষক।

তিনি বলেন, গত মৌসুমে এই সময় যে ফুলকপি পাইকারি বিক্রি করেছেন প্রতি কেজি ২০ থেকে ২২ টাকা তা এখন বিক্রি করতে হচ্ছে ১৩ থেকে ১৪ টাকা কেজি দরে।

জেলা কাঁচামাল সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রওশন আলী বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় সবজির দাম কমে গেছে। স্থানীয়ভাবে সরবরাহের পাশাপাশি জেলার বাইরে থেকে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ সবজি আসছে। ফলে সব ধরনের সবজির দাম কমতির দিকে।

এদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে জানা গেছে, জেলার সাতটি উপজেলাতে শীতকালীন সবজির আবাদ লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে নয় হাজার ৭৯৫ হেক্টর। গত মৌসুমে সাতটি উপজেলাতে নয় হাজার ২২৫ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছিল।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক অরবিন্দ বিশ্বাস বলেন, গেল মৌসুমের চেয়ে চলতি মৌসুমে জেলায় শীতকালীন সবজির আবাদ বেড়েছে। তাছাড়া এ জেলায় বারো মাসই নানা ধরনের সবজি উৎপাদন হয়ে থাকে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর

daily-bd-hrch_cat_news-2-10