Alexa সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৩৪ ২১ নভেম্বর ২০১৯  

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সশস্ত্রবাহিনী দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন- পিআইডি

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সশস্ত্রবাহিনী দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন- পিআইডি

সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০১৯ উপলক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণে বৃহস্পতিবার সকালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০১৯’ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসের ‘শিখা অনির্বাণে’ পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা জানান।

প্রধানমন্ত্রী শিখা অনির্বাণের বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পর মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের মহান আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানোর অংশ হিসেবে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর বাছাইকৃত চৌকষ সদস্যের একটি দল এ সময় গার্ড অব অনার প্রদান করে এবং বিউগলে করুণ সুর বেঁজে ওঠে।

পরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিখা অনির্বাণ চত্বরে সংরক্ষিত পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

এরআগে, প্রধানমন্ত্রী ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে এসে পৌঁছলে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল আবু মোজাফ্ফর মহিউদ্দিন মোহাম্মাদ আওরঙ্গজেব চৌধুরী, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবত এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শেষে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে যান, যেখানে তিন বাহিনী প্রধানরা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীকে পিএসও এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মহাপরিচালকরা অভ্যর্থনা জানান।

১৯৭১ সালের এ দিনে সেনা, নৌ এবং বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দখলদার পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত আক্রমণ শুরু করে। ফলে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় ত্বরান্বিত হয়।

বাংলাদেশ স্বাধীনের পর এ দিনটি প্রতি বছর সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ