‘সরকারি অর্থায়নে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে’

‘সরকারি অর্থায়নে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:২২ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

দেশে সরকারি অর্থায়নে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার সচিবালয়ে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর তীরভূমিতে বিদ্যমান মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় স্থাপনা স্থানান্তর করে বাইরে নির্মাণ সংক্রান্ত এক সভার শুরুতে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ঢাকার চারপাশের নদী দখল করে গড়ে ওঠা মসজিদসহ ধর্মীয় স্থাপনা স্থানান্তর করে নদীর সীমানার বাইরে নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। ঢাকাকে বসবাসেরযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকার চারপাশের নদীগুলো দখলমুক্ত করে নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই। গত এক বছর ধরে যে উচ্ছেদ অভিযান চলছে তা মোটামুটি বাধাহীনভাবেই এগিয়ে চলছে।

সেখানে মসজিদ মাদরাসা, এতিমখানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শ্মশান ঘাটসহ অন্যান্য কিছু প্রতিষ্ঠান আছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেগুলো আমাদের অনুভূতির সঙ্গে যুক্ত সেগুলোতে কোনো ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করিনি। আমরা আলোচনা করছি। এক বছর আগে এ প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা কমিটির সঙ্গে কথাবার্তা বলে মতামত জানানোর জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। উনি বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে সভাটা করে উঠতে পারেননি। আমরা গত ১০ ডিসেম্বর প্রত্যেকটি মসজিদ, মন্দির, শ্মশান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্ণধারসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসেছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আলোচনায় বলেছি, আমরা এ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে উচ্ছেদ করতে চাই না। আমরা এটাকে সমন্বয় সাধন করতে চাই। আমরা সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা এ জায়গায় পরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে গড়ে তুলতে পারি কিনা। এগুলো অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে। সে আলোকেই আমরা আলোচনা করেছি। 

তিনি আরো বলেন, ঢাকার আশপাশে নদীর তীরে যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে সেগুলো যদি পরিকল্পিতভাবে করতে পারি, এর সংখ্যা অনেক কম। এটা করলে যখন আমরা নদী দিয়ে চলাচল করব এ ধরনের সুদৃশ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দেখব সেটাও আমাদের ভালোলাগার একটা বিষয় হবে। বিদেশি মেহমানরাও যখন নদীতে ভ্রমণ করবেন, দেখবেন বাংলাদেশ সরকার একটি সুন্দর চিন্তা-ভাবনা নিয়ে একই ডিজাইনের এ প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুলেছে। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়েই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই