Alexa সংস্কারবিহীন সাত বছর

সংস্কারবিহীন সাত বছর

ফরহাদ আমিন, টেকনাফ  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৪২ ২৩ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ১৬:৪৮ ২৩ আগস্ট ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ সড়ক। এ সড়কে সাবরাং ইউপির ৪০ হাজার লোক যাতায়াত করেন। এক সময় সড়কটিতে উপজেলার লবন, পান-সুপারি ও মিয়ানমার থেকে আসা গরুর রমরমা ব্যবসা হতো। তবে সড়কের পাঁচ কিলোমিটার ভাঙাচোরা থাকায় সব ব্যবসায় ভাটা পড়েছে। এছাড়া সাত বছর ধরে সংস্কারবিহীন রয়েছে সড়কটি। 

২০১২ সালের জুনে সাগরের জোয়ারের পানিতে সড়কের পাঁচ কিলোমিটার ভেঙে যায়। এরপর থেকে সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। সেই থেকে সাত বছর পার হলেও সড়কটি সংস্কার হয়নি। শাহপরীর দ্বীপের প্রায় ১৪ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে হারিয়াখালী থেকে উত্তরপাড়া পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সড়ক বেহাল দশায় রয়েছে। 

শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়ার আব্দুস সালাম বলেন, স্থানীয়দের প্রধান পেশা সাগরে মৎস্য শিকার ও চাষাবাদ। প্রতি বছর শাহপরীর দ্বীপ থেকে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সামুদ্রিক মাছ সরবরাহ করা হয়। তাছাড়া ৩০০ কোটি টাকার মূল্যের লবণ, পান-সুপারি বিক্রি হয়। যা দেশের বহু জেলার পক্ষে সম্ভব হয় না। এক সময় এই শাহপরীর দ্বীপের মানুষ সুখে বসবাস করতো। এখন দুশ্চিন্তায় রাত কাটে।

গবাদিপশু ব্যবসায়ী আব্দুল শুক্কুর বলেন, শাহপরীর দ্বীপ করিডোর দিয়ে মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু আমদানি করা হয়। সড়ক বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ সরকার গবাদিপশু আমদানি থেকে বছরে তিন কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে। জরুরি ভিত্তিতে শাহপরীর দ্বীপ বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ সংস্কার করা হোক। 

শাহপরীর দ্বীপ উত্তরপাড়ার ফারুক বলেন, সাত বছর ধরে সড়কটির বেহাল দশা। জোয়ারের সময় ভাঙা অংশে নৌকা ও স্পিড বোট ব্যবহার করতে হয়।এতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

মিস্ত্রিপাড়ার নুর আলম বলেন, কয়েক বছরে শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিমপাড়া, দক্ষিণপাড়া, ঘোলাপাড়ার তিন হাজার পরিবার গৃহহীন হয়েছে।
এ ব্যাপারে সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হোসাইন বলেন, সাত বছর ধরে প্লাবনের কথা বলে পাঁচ কিলোমিটার ভাঙা সড়কটি ফেলে রেখেছে সওজ। এতে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে।

সড়ক ও জনপথের (সওজ) কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বলেন, পাঁচ কিলোমিটার ভাঙা সড়কের সংস্কার কাজের জন্য ৫৫কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ