শেবাচিমে অচল সিসি ক্যামেরা

শেবাচিমে অচল সিসি ক্যামেরা

বরিশাল প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৫২ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের সিসি ক্যামেরা ও সিসি টিভি অনেক দিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এ সুযোগে প্রতিদিন দুর্নীতির শিকার হচ্ছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কোটি টাকা ব্যয় করে দুর্নীতির হাত থেকে রোগীদের রক্ষা করার জন্য বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরাসহ সিসি টিভি। তবে এখানে তা কোনো কাজে আসছেনা। পথে পথে দুর্নীতির শিকার হচ্ছেন রোগী ও তার স্বজনরা।

২০১৮ সালে কোটি টাকা ব্যয় করে হাসপাতাল দুর্নীতি মূক্ত রাখার জন্য হাসপাতালের প্রশাসনিক শাখা থেকে শুরু করে বিভিন্ন পয়েন্টে ৬৪টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়। সিসি ক্যামেরা পরিচালনা করার জন্য হাসপাতাল পরিচালকের কার্যলয়ে ৪টি সিসি টিভি ও চার পয়েন্টে ৪টি সিসি টিভি বসানো হলেও তার র্দীঘ দিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। হাসপাতালের প্রধান ফটক ও জরুরি বিভাগের সিসি ক্যামেরা, সিসি টিভিসহ কয়েকটি জায়গার সিসি ক্যামেরা স্থাপন করার পর থেকেই বন্ধ রয়েছে।

এক স্টাফ নার্স জানান, সিসি টিভি এখন বন্ধ রয়েছে, কয়েক দিন পরে বিকল হয়ে যাবে, তারপর সেগুলো নষ্ট বলে বিক্রি করে দেবেন কর্মকতারা।

হাসপাতাল ভবনে দেখা গেছে, কিছু জায়গায় সিসি ক্যামেরা চালু থাকলেও দায়িত্বে থাকা কোনো কর্মচারীকে নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যায়নি। হাসপাতালের বহির্বিভাগসহ আন্তবিভাগের সামনে সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টাই বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিসহ দালালের সদস্যরা অবস্থান করছেন। সিসি টিভিতে এই দৃশ্য দেখা গেলেও হাসপাতালের পরিচালক তার দেখেও না দেখার বান করে তার চেয়ারে বসে থাকেন।

প্যাথলজি, ব্লাড বাংক, জরুরি বিভাগসহ কয়েটটি স্থানে সিসি ক্যামেরা থাকলেও সেখানের অনিয়ম-দুর্নীতির হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না কেউ।

হাসপাতালের আইসিটি কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম (রাসেল) বলেন, বর্তমানে সিসি ক্যামেরা মেরামতের জন্য কোন বাজেট না থাকায় কিছু ক্যামেরা অচল অবস্থায় রয়েছে। হাসপাতাল কতৃপক্ষ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ক্যামেরা মেরামত ও নতুন কিছু ক্যামেরার জন্য চিঠি পাঠিয়েছে।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের পরিচালক ডা.বাকিব হোসেন বলেন, কিছু জায়গায় কাজ চলছে। তাই সেখানে বন্ধ রয়েছে। তবে কয়েক দিনের মধ্যেই সিসি ক্যামেরাগুলো চালু করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ