‘শুদ্ধ উচ্চারণে সচেতন হতে হবে’

‘শুদ্ধ উচ্চারণে সচেতন হতে হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০০:৫৯ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, বাংলা ভাষা আমাদের গর্ব। সন্তানরা যেন সুন্দর বাংলা বলতে পারে, শুদ্ধ উচ্চারণে কথা বলতে পারে সে জন্য আমাদের আরো সচেতন হতে হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা ভাষার চেতনা ছড়িয়ে দিতে হবে, যেন তারা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

শুক্রবার মেহেরপুরে শহিদ ড. শামসুজ্জোহা পার্কে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ভাষা সৈনিকদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে। এ জন্য প্রতিমন্ত্রী অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তোলার আহ্বান জানান।

মনের জাগরণ ও মেধার বিকাশে বই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের বেশি করে কবিতা, সাহিত্য, উপন্যাস, ভ্রমণ কাহিনী পড়তে হবে। পাশাপাশি আমাদের বাঙালি জাতির গর্বের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমাদের নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে অভিভাবকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী  সন্তানদের বেশি করে বই উপহার দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যে জাতি তার অতীতের ইতিহাস জানে না সে জাতি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে না। তাই নতুন প্রজন্মকে আমাদের গর্বের ইতিহাস জানাতে হবে।

জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ দুটি অর্জনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ দুটি অর্জন হচ্ছে, ভাষার অধিকার আদায় ও একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ গড়া। এখন আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্রে পরিণত করা। এ লক্ষ্য অর্জন করতে হলে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।

মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক আতাউল গনির সভাপতিত্বে, পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ হাসানুজ্জামান মালেক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে মেহেরপুরের চারজন ভাষা সৈনিককে সম্মাননা প্রদান করা হয়। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী এ সময় সম্মাননা-প্রাপ্তদের উত্তরীয় পরিয়ে দেন। সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন- মো. ইসমাইল হোসেন, ননী গোপাল ভট্টাচার্য, মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম ও মো. গোলাম কাওসার।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ