Alexa লাখো প্রদীপ প্রজ্জ্বলনে উদযাপিত ‘কার্তিক ব্রত’

লাখো প্রদীপ প্রজ্জ্বলনে উদযাপিত ‘কার্তিক ব্রত’

নুরুল করিম ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:১০ ১৭ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৬:২৯ ১৭ নভেম্বর ২০১৯

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

সোনারগাঁওয়ের বারদী লোকনাথ আশ্রমে প্রতি বছর আয়োজিত হয় ‘কার্তিক ব্রত’। ‘রাখের উপবাস’, ‘গোসাইর উপবাস’, কিংবা ‘ঘৃত প্রদীপ প্রজ্জ্বলন’; লোকনাথভক্তদের কাছে এই উৎসব নানা নামেই পরিচিত। আপনজনের কল্যাণ কামনায় কার্তিক মাসের শেষ ১৫ দিনের প্রতি শনি ও মঙ্গলবার উপবাস পালন করেন লোকনাথভক্তরা। ছবিতে দেখে নিন-

সন্ধ্যার আগেই বাড়ি থেকে আনা ফলমূল রাখা হয় লোকনাথের মূর্তির সামনে। তারপর সেগুলো নিয়ে উন্মুক্ত ময়দানে সারিবদ্ধভাবে বসে যায় সবাই। সামনে কলাপাতার ওপর রাখা হয় ঘিয়ের প্রদীপ। চারপাশে সাজানো থাকে মাটির প্রদীপ, ঘি, কলাপাতা, ফুল, ধান-দূর্বা, ডাব, দুধসহ নানান নৈবেদ্য।

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

কার্তিক ব্রত উৎসবের বিস্তারিত পড়ুন- লাখো প্রদীপ প্রজ্জ্বলনে ভক্তের আর্তি

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে বেজে ওঠে ঘণ্টা। একসঙ্গে জ্বলে ওঠে শত শত প্রদীপ। ওপর থেকে দেখা সেই দৃশ্য দেখতে স্বপ্নের মতো। সবাই একই সুরে বলতে থাকেন- ‘বাবা লোকনাথ, বাবা লোকনাথ গো, এবার আমাদের রক্ষা করো গো’।

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

প্রদীপ জ্বালানো নিয়ে এখানে একটি বিশেষ নিয়ম আছে। বিপদ থেকে রক্ষার জন্য যে কয়জন আপনজনের উদ্দেশ্যে প্রার্থনা করা হয়, গুনে গুনে সেই ক’টি প্রদীপই রাখা হয়। তিন-চার-দশ-বিশটা পর্যন্ত প্রদীপ দেখা যায়।

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

প্রদীপ প্রজ্জলন শেষে সারাদিনের উপবাস ভাঙা হয়। লোকনাথভক্তরা মূলত আপনজনের কল্যাণ কামনা করে এই উপবাস করেন। কলেরা-বসন্তের হাত থেকে বাঁচার জন্য কার্তিক মাসে উপবাস পালন এবং আশ্রম প্রাঙ্গণে ঘিয়ের প্রদীপ ও ধূপ-ধুনা জ্বালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বাবা লোকনাথ।

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

সারিবদ্ধভাবে জ্বালানো এই হাজার হাজার প্রদীপ হালকা হিম আবহাওয়ার সঙ্গে মিশে তৈরি করে অনিন্দ্য সুন্দর অপার্থিব আবহ।

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

দেখে মনে হয় এ এক ভিন্ন জগৎ! আলো আঁধারে অদ্ভুত কিছু সময় কাটাতে এবং সেই মুহূর্তগুলো ক্যামেরা বন্দি করতে দেশ-বিদেশ থেকে বহু আলোকচিত্রী ছুটে আসেন বারদীতে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে/টিআরএইচ/টিএএস