লকডাউন না মানলে চালানো হবে গুলি

লকডাউন না মানলে চালানো হবে গুলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৫০ ২৫ মার্চ ২০২০   আপডেট: ১৭:৪৯ ২৫ মার্চ ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ভারতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও লকডাউন উপেক্ষা করে তেলেঙ্গানা রাজ্যে মানুষের বাইরে বের হওয়ার প্রবণতা কমছে না। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বাইরে বের হওয়ার প্রবণতা না কমলে সম্পূর্ণ কারফিউ জারি করা হবে। এমনকি প্রয়োজনে রাস্তায় দেখলে গুলি করার নির্দেশও দিতে পারে তার সরকার।

মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশজুড়ে লকডাউনের ঘোষণা করেন। পাশাপাশি দেশবাসীকে আগামী ২১ দিন বাড়িতে থাকারও পরামর্শ দেন। তাই প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ কেউ অমান্য করলে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী।

আনন্দবাজার পত্রিকার তথ্যানুযায়ী, তেলঙ্গানায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ ছুঁইছুঁই। পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে ১৯ হাজার মানুষকে। রাজ্যে চলছে লকডাউন। এরপরও রাস্তাঘাটে মানুষের আনাগোনা চলছেই। এ কারণে মঙ্গলবার রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বার্তা দেন কে চন্দ্রশেখর রাও।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘লকডাউন কার্যকর করতে যুক্তরাষ্ট্রে সেনা নামাতে হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে মানুষ লকডাউন না মানলে, এখানেও তেমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। রাজ্যে ২৪ ঘণ্টা কারফিউ জারি করা হয়েছে। এরমধ্যে কেউ বাড়ির বাহিরে বের হলে তাকে দেখা মাত্রই আমরা গুলি করার নির্দেশ দিতে পারি। তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ, দয়া করে এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করবেন না।

জানা গেছে, তেলঙ্গানায় সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি রয়েছে। সন্ধ্যা ৭টার মধ্য সব দোকানপাট বন্ধ করে দিতে বলা হয়েছে। এই সময়ে জিনিসপত্রে যাতে চড়া দামে বিক্রি না হয়, সে দিকেও নজর রাখতে বলা হয়েছে। যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন, তাদের পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। হোম কোয়ারেন্টাইনে থেকে নির্দেশ লঙ্ঘন করলে পাসপোর্ট সাসপেন্ড করা হতে পারে বলে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাজ্যবাসীর উদ্দেশে চন্দ্রশেখর রাও বলেন, রাজ্যে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি রয়েছে। এই সময়ে কাউকে বাইরে থাকার অনুমতি দেয়া হবে না। জরুরি প্রয়োজন পড়লে ১০০-য় ফোন করুন। পুলিশ আপনাদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে। 

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএএইচ