রেপ কালচার ও সমাজের দায়

রেপ কালচার ও সমাজের দায়

প্রকাশিত: ১৭:৩৩ ১৭ জুন ২০২০  

রঞ্জনা বিশ্বাস কবি, কথাশিল্পী ও গবেষক। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস। প্রকাশিত গবেষণাগ্রন্থ: বেদে জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা (২০১১), বাংলাদেশের পালকি ও পালকিবাহক: নৃ-তাত্তি¡ক ও সাংস্কৃতিকধারা (২০১৫), লোকসংস্কৃতিতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ,  কিতুবীম: হিব্রু কবিতার সাহিত্যমূল্য। ‘বাংলাদেশের পালকি ও পালকিবাহক’ বইটির জন্য পেয়েছেন ‘কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার-২০১৫’।

বর্তমানে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সংবাদ জরিপ করলে দেখা যাবে, এমন একটা দিন নেই যে দিনটিতে ধর্ষণের খবর নেই। বাড়িতে, বাড়ির বাইরে, চলন্ত বাসে; কোথাও নিরাপদ নয় মেয়েরা। 

সম্প্রতি বাবার লাশের জন্য অপেক্ষারত শোকার্ত মেয়েটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করার ঘটনায় মিডিয়া তোলপার। কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য অপরাধ। কেন? কারণ এর শেকড় সমাজের অনেক গভীরেবহু যত্নে বেড়ে উঠছে। ধর্ষণ হচ্ছে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের এমন একধরনের ব্যাধি যার চিকিৎসা নারীর হাতে নেই। পুরুষের ‘শ্রেষ্ঠত্বে’র চিন্তা দিয়ে তৈরি মস্তিষ্ক কখনোই নারীর মতামতকে প্রাধান্য দিতে শেখে না। নারীকে সে ভোগ্যপণ্য বা বস্তু হিসেবে মনে করে। তাই কারো ক্ষতি করতে গেলে প্রতিশোধ পরায়ণ পুরুষটি শত্রুর মা, মেয়ে, বোন, প্রেমিকা বা স্ত্রীকে ধর্ষণ করে। সে মনে করে এতে তার সম্পদের ক্ষতি হলো।

আর সালিশ ব্যাবস্থায়ও আমরা দেখি এধরণের অপরাধের শাস্তির বিধানও অর্থদণ্ড। আবার ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে সমাজ মূলত মেয়েটির সতীত্বের ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। কেননা ধর্ষণের শিকার হওয়ায় সমাজে সে মূল্যহীন। অতএব খুব ভালো হয়, যার দ্বারো সে ক্ষতিগ্রস্থ হলো তার সঙ্গেই তার বিয়ে দেয়া গেলে। উভয় ক্ষেত্রে ভিক্টিমের অনুভূতির কোনো তোয়াক্কাই করে না সমাজ। এর কারণ সমাজ নারীটিকে কোনোভাবেই মানুষ হিসেবে গণ্য করে না। গণ্য করে একটি পণ্য হিসেবে। পণ্যের বা বস্তুর যেমন অনুভূতিগত কোনো উপযোগিতা নেই তেমনি মেয়েটিরও কোনো অনুভূতিগত বিষয় থাকা উচিত নয়। আর এই চিন্তার হাত ধরেই নারীর ওপর চলে যৌন সহিংসতা। যে নারী এই ঘটনা নীরবে মেনে নেবে না, এর বিরুদ্ধে চিৎকার করবে সেই নারীকে সমাজ চরিত্রহীন বলে উপস্থাপনের চেষ্টা করে। আমাদের সমাজে ধর্ষণ সম্পর্কে ধারণা হলো- ‘খুব খারাপ ধরনের মেয়েরা ধর্ষণের শিকার হয়।’ আর এই ধারণার কারণেই আমাদের সমাজে ‘ধর্ষণ এমন একটি অপরাধ যেখানে অপরাধের শিকার নারীটিকেই উল্টো অপরাধিতে পরিণত করা হয়।’

আমাদের দেশ দুই তৃতীয়াংশ প্রসাশনের লোকই নারীবান্ধব নয়। ধর্ষণের মামলাও থানা নিতে চায় না। এখানে এমন একধরনের প্রতিযোগিতা আছে যেখানে প্রশাসনের পুলিশ কর্মকর্তাটি নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে চায় কাজ না করে। সে প্রমোশনের জন্য প্রমাণ করতে চায় যে তার থানায় অপরাধ কম সংঘঠিত হয়েছে। ফলে প্রান্তিক মানুষের মামলা প্রায়শই প্রত্যাখান করে থানা। যে নারী শেষ পর্যন্ত মামলা করতে পারে তার জন্য আইনি প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলো আর সুখকর হয় না।

মামলা হলে- প্রথমেই আসবে এভিডেন্স সংগ্রহের ব্যাপার। এভিডেন্স মানে নমুনা সংগ্রহ। সেখানেও নারীকে প্রমাণ করতে হবে সে ধর্ষণের শিকার কিনা। ডাক্তার টু ফিঙ্গার টেষ্টের মাধ্যমে দেখেন- তার হাইমেন ছেঁড়া কিনা, যোনি পথ ঢিলা কিনা, হাইমেন ঝুলে আছে কিনা ইত্যাদি। ডাক্তার দ্বারা টু ফিঙ্গার টেস্ট নামক  অবৈজ্ঞানিক টেষ্টটি ১৯১৮ সালে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে হাইকোর্ট। নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার পরেও এটি জেলা পর্যায়ে এখনও বিদ্যমান। হাইমেন ছেঁড়া হলে ধরে নেওয়া হয় সেখানে জোরজবরদস্তি ঘটেছে। অর্থাৎ ধর্ষণ সংঘঠিত হয়েছে। আর যোনি পথ ঢিরা হলে মেডিকেল এভিডেন্স তার প্রসঙ্গে‘ হাইমেন ওল্ড রেপচার’ বা ‘হেবিচুয়েট টু সেক্স’ বিশেষণ প্রয়োগ করে। এরকম পরীক্ষায় ধরেই নেওয়া হয় যে, ধর্ষণের শিকার হবে একজন কুমারী মেয়ে যার হাইমেন এখনও অক্ষত রয়েছে। ফলে ‘হাইমেন যে কারণেই ছেঁড়া থাকুক তার জন্য ডাক্তারি বিশেষণ ‘হাইমেন ওল্ড রেপচার’ বা ‘হেবিচুয়েট টু সেক্স’ বরাদ্ধ হয়। আর কোর্টে মেডিকেল পরীক্ষার এই রিপোটগুলো নারীর পুর্বেকার যৌন ইতিহাস বয়ানের সুযোগ করে দেয়। এর হাত ধরে আইনজীবীরা সমাজের মধ্যে বিদ্যমান ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করতে থাকে। তারা প্রমাণ করতে চেষ্টা করে নারীটির সতীত্ব নেই অতএব সে ধর্ষণের শিকার হওয়ার জন্য ধর্ষক নয় দায়ী নারী নিজে। অর্থাৎ ধর্ষক যদি প্রমাণ করতে সক্ষম না হয় যে, নারীটি বহুগামী বা বেশ্যা নয় তা হলেই কেবল সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে প্রমাণিত হতে পারে। তাকে শেষ পর্যন্ত বেশ্যা বানাতেও আপত্তি করে না আইনজীবীরা। এতে কী হয়? এর মাধ্যমে এটাই জায়েজ করা হয় যে, কুমারী নারী বাদে অন্যদের ধর্ষণ করা যাবে কিংবা ভিক্টিমকে বেশ্যা বানানোর এভিডেন্স তৈরি করা গেলে ধর্ষক মুক্তি পেতে পারে।  এভাবেই আইনি প্রক্রিয়ায় ধর্ষকের তরফ থেকে নারীর অসম্মতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ তৈরি করা হয়। এবং ধর্ষণকে একধরণের অলিখিত বৈধতা দিয়ে দেয়া হয়। ফলে সমাজও মনে করে যেন নারীটির পুর্বযৌনাভিজ্ঞতা থাকলে, বেশ্যা হলে ধর্ষকের পক্ষে ধর্ষণ কাজটি তেমন অপরাধ বলে গণ্য করার দরকার নেই। মানুষ এখন জেনে গেছে ট্রায়াল কী জিনিস। আর তাই ধর্ষণের শিকার নারীও তার নিজের যৌন জীবন নিয়ে জনসম্মুখে যাবার মতো সাহস দেখাতে চায় না। সে জানে এর চেয়ে ভয়ঙ্কর আর কিছুতেই হতে পারে না। এ কারণে এদেশে আজও ধর্ষণের শিকার নারীর অভিভাবক মামলা করার বদলে ধর্ষকের সঙ্গে মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন কিংবা এলাকা ছেড়ে মেয়েকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেন। কিংবা আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিয়ে ঘটনাটা মিটিয়ে নেন। আইনি প্রক্রিয়া ও সমাজের সামাজিক আইন উভয় ক্ষেত্রেই ধর্ষণকে একধরণের অনুমোদন বা প্রশ্রয় দেবার প্রবণতা লক্ষ করা যায় যা পুরুষতান্ত্রিক ধারণার বহিপ্রকাশ। 

এই ধারণাকে প্রশ্রয় দেয়া হয়েছে আমাদের স্কুলের পাঠ্যপুস্তকেও। আমাদের দেশে অষ্টম শ্রেণির ‘গার্হস্থ্য বিজ্ঞান’ বইয়ে যৌন নিপিড়ন থেকে নিজেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে মেয়েদের জন্য কয়েকটি কৌশল উপস্থাপন করা হয়েছে। সেখানে সপ্তম অধ্যায় ‘যৌন নিপীড়ন’-পাঠ ৪ এ কিছু উপদেশ দেয়া হয়েছে। উপদেশগুলো হচ্ছে-  ১.বাড়িতে কখনোই একা থাকা যাবে না। ২. অন্যকে আকর্ষণ করে এমন পোশাক পরা যাবে না। ৩. মন্দ স্পর্শ করলে এড়িয়ে যাবে বা পরিত্যাগ করবে। ৪. পরিচিত অপরিচিত কারো সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া যাবে না। ৫. পাড়ার বখাটে দলের হয়রানিতে সরাসরি প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে কৌশল অবলম্বন করতে হবে।

খুব সুক্ষ্মভাবে উপরের কথাগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে যে, এখানে শুধু ধর্ষণকে স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে না, প্রশ্রয় দেয়া হয়েছে জেন্ডার বৈষম্যকেও। নারীকে পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং সুক্ষভাবে পর্দা প্রথাকে উৎসাহিত করা হয়েছে। এর মানে হলো মেয়েটি তখনই ধর্ষণের শিকার হবে যদি সে একা থাকে, যদি সে পরিচিত অপরিচিত কারো সঙ্গে ঘুরতে যায়, যদি সে যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করে, যদি সে মন্দ পোশাক পরে। আর এসবের কারণে ধর্ষণ সংঘঠিত হলে মেয়েটিকে দোষী করার সুযোগতো থেকেই গেল ধর্ষকের জন্য! এভাবে পাঠ্যপুস্তকে নারীকে সতর্ক করার নামে তাকে পণ্য হিসেবে সমাজের প্রাচীন ধারণাকেই স্টাবলিশ করা হচ্ছে, উৎসাহিত করা হচ্ছে জেন্ডার বৈষম্যকে আর তাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে মানবাধিকার থেকে। নারী ও শিশুর জন্য এ সমাজকে অভয়ারণ্য না করে বা নিরাপদ সমাজ ব্যাবস্থার কথা না ভেবে নারীর অধিকারকে খর্ব করার মাধ্যমে ধর্ষণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এসব কারনেই দেশে এখন ধর্ষণ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ধারাবাহিক ভাবে এটা এমনভাবে বেড়ে চলছে যে এটা এখন রেপ কালচারে পরিণত হয়েছে।

যে সমাজে ধর্ষককে নির্দোষ প্রমান করার জন্য লড়তে হয় না, যে সমাজে টেলিভিশন চ্যানেলে সগৌরবে ইস্পাহানী চায়ের বিজ্ঞাপনে নারীকে চায়ের সঙ্গে তুলনা করে অবমাননা করা হয় সেই সমাজে রেপ কালচার অস্বাভাবিক ঘটনা হবে কেন? তাই এই রেপ কালচার থেকে নারীর মুক্তির উপায় নারীকেই বের করতে হবে। এর জন্য দরকার ধর্ষণ প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদী সংগ্রাম। পাল্টে দিতে হবে সমাজে সতীত্বের ধারণা। আর এটা করতে হবে নারীকেই। বর্তমানে বিদ্যমান যৌনতার ধারণাটিকে চেলেঞ্জ করতে হবে তাকেই। প্রতিষ্ঠা করতে হবে যৌনতার বিজ্ঞান ভিত্তিক সঙ্গা। মধুমিতা পান্ডে ভারতীয় এক পিএইচডি গবেষক। তিনি ধর্ষকের মনোস্তত্ব নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাদের এই সমস্যার মনোস্তাত্বিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ হাজির করে তা সুরাহার উপায় বাতলে দিতে চেষ্টা করেছেন। আমাদের দেশে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। গতানুগতিক গবেষণাই সেই সব বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ যা জাতির প্রয়োজন মেটায় না, জাতীয় প্রয়োজনে কাজেও আসে না। কেবলমাত্র গবেষকের ব্যক্তিগত চাকুরির সুবিধা প্রাপ্তিতে সাহায্য করে বা অবদান রাখে। এসব গবেষণাকে নিরুৎসাহিত করতে হবে কঠোরভাবে।

সমাজ থেকে ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য অপকর্মকে দূর করতে হলে সন্তানকে সুস্পষ্টভাবে যৌনতার চেতনা সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। পাশাপাশি যৌন প্রবৃত্তি ও ধর্ষণ সম্পর্কেও ধারণা দিতে হবে।  সমাজে ধর্ষণের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে। ‘Don’t be that guy’’ নামক প্রচারণার ফলে ভ্যানকুভারে যৌন সহিংসতা ১০ ভাগ কমে গেছে। যুক্তরাজ্যে ধর্ষণ প্রতিরোধে সহায়তা করেছে এমন সব প্রচারণা। সমাজ থেকে জেন্ডার বৈষম্য নির্মূল করার জন্য এপিজেনেটিক্স ও নিউরোপ্লাস্টিসিটির শিক্ষার প্রয়োগ ঘটাতে হবে। নারীকে বস্তু বা উপকরণ বা পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করার প্রবনতাকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। নারীকেও মনে করতে হবে বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে ব্যক্তিত্ব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশে টেলিভিশন রেডিও এবং সংবাদপত্রে ধর্ষণ বিরোধী প্রচারণা নেই বললেই চলে। আইন করে সিনেমা নাটক ইত্যাদিতে ধর্ষণ দৃশ্য বর্জন করতে হবে। বিজ্ঞাপণে নারীদের পণ্য হিসেবে ব্যবহারের যে রেওয়াজ তাতে নারীকে অবমাননা করা হয় এবং সমাজের মানুষ তাদেরকে পণ্য হিসেবে ভাবতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে।

সংবাদ পরিবেশনের সময়, যে কোনো আলোচনা বা আড্ডায় ভাষাগতভাবে সংবাদকর্মী, গবেষক আলোচক আইনজীবী প্রত্যেককেই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। যাতে মানুষের মধ্যে ধর্ষকামী প্রবৃত্তি কোনো ভাবেই উৎসাহ না পায়। মনে রাখতে হবে ধর্ষণ ‘যৌন মিলন নয়’ ‘অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন সম্পর্কও’ নয় এবং ‘যৌনতার অপব্যবহারও’ নয় অতএব ধর্ষণকে বৈধতা দেওয়া চেষ্টা প্রতিহত করতে হবে। প্রেমিক দ্বারা, স্বামী দ্বারা, সঙ্গী দ্বারা, অপরিচিত কারো দ্বারা সংঘঠিত সকল প্রকার ধর্ষণই অপরাধ। তাই ধর্ষণের মামলাগুলোকে খুব দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য যথাযথ সেল গঠন করতে হবে। আমাদের দেশে চরম দরিদ্র ও প্রান্তিক নারীদের ওপর ধর্ষণের হুমকি বেশি। এদের নিরাপত্তায় সরকার, মিডিয়া, সুশীল সমাজ কোনো দায়িত্ব পালন করে না। এ কারণে ধর্ম বর্ণ শ্রেণি নির্বিশেষে তৃণমূল পর্যায়ে সম্পৃক্ততা ও সচেতনতা বাড়াতে হবে। এর জন্য চাই সমাজের সকল স্তরের মানুষের আন্তরিকতা ও ভালোবাসা। মনে রাখতে হবে একজন সুস্থ নারী মানেই একটি সুস্থ সমাজ, সুস্থ জাতি ও সুস্থ দেশ। অতএব জাতি গঠনের প্রাথমিক ধাপ হোক নারী শিশু বান্ধব পরিবেশ তথা সমাজ গঠনে ধর্ষণকে ‘না’ বলার অভ্যাস ও চচ কর্রা। 

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর