রিভার্স সুইংয়ের রিভার্স!

রিভার্স সুইংয়ের রিভার্স!

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:১২ ১০ জুলাই ২০২০  

জিমির বলে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হয়েছেন শচীন

জিমির বলে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হয়েছেন শচীন

ফাস্ট বোলারদের প্রধান অস্ত্র সুইং। ব্যাটসম্যানকে কাবু করতে পেসাররা সাধারণত তিনটি পৃথক পদ্ধতি ব্যবহার করে বলটি বাতাসের মধ্য দিয়ে ঘুরিয়ে দেয়। এগুলো হলো- প্রচলিত সুইং, কনট্রাস্ট সুইং ও রিভার্স সুইং। কিন্তু এবার জানা গেলো নতুন আরো এক পদ্ধতির নাম যার আবিষ্কারক বলা যায় ইংলিশ ফাস্ট বোলার জেমস অ্যান্ডারসন। তিনি রিভার্স সুইং বলকেও রিভার্স করতে পারেন বলে জানিয়েছেন ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান শচীন টেন্ডুলকার। 

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে মোট ১৪টি টেস্ট ম্যাচে এন্ডারসনের মুখোমুখি হয়েছেন শচীন। রেকর্ড নয়বার এই বোলারের কাছে পরাস্ত হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন মাস্টার ব্লাস্টার। সম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ক্রিকেটার ব্রায়ান লারার সঙ্গে এক আলাপচারিতায় রিভার্স সুইংয়ের রিভার্স নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সেখানেই শচীন জানান, রিভার্স সুইং বল করার সময় নিজের কব্জির মোচড়ে সেই বলের রিভার্স ঘটিয়ে ব্যাটসম্যানদের বিভ্রান্ত করতেন অ্যান্ডারসন।

শচীন বলেন, ‘জিমি অ্যান্ডারসন সম্ভবত প্রথম বোলার যিনি রিভার্স সুইংকেও উল্টে দিয়েছিলেন। আমি তার বিরুদ্ধে খেলার সময় যা অভিজ্ঞতা পেয়েছি তা হল, দৌড়ে আসার সময় জিমি বলটি এমনভাবে ধরে রাখতেন যেন তিনি রিভার্স সুইং বল করছেন। বল ছাড়ার সময় তিনি দেখাতেন বলটি ভেতরে ঢোকানোর চেষ্টা করছেন। তার কব্জির অবস্থানের দিকে নজর রাখলে আপনি সেটাই দেখবেন, কিন্তু পিচ করার পর বলটি আপনার থেকে দূরে সরে যাবে অর্থাৎ আউটসুইং হবে।’ 

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান করা এই ব্যাটসম্যান যোগ করেন, ‘অ্যান্ডারসন আপনাকে অ্যাকশনের ধরণ থেকে ইনসুইং বল খেলতে বাধ্য করবে। তবে বলটি পিচের দৈর্ঘ্যের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ পেরিয়ে আসার পর আপনি বুঝতে পারবেন এটা আউটসুইং ছিল। কিন্তু এরইমধ্যে আপনি ইনসুইং বল হিসেবে শট খেলতে প্রস্তুত, ফলে আপনি পরাস্ত হতে বাধ্য। আমার কাছে এটি নতুন ছিল। জিমির আগে কেউ তা করেনি।’

রিভার্স-সুইং কন্ডিশনে অ্যান্ডারসন তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা স্পেল করেছিলেন ২০১২ সালে। সেবার কলকাতায় একেরপর এক সুইং ডেলিভারিতে ভারতের ব্যাটসম্যানদের নাস্তানাবুদ করেছিলেন তিনি। তবে সেসময় জিমি রিভার্স সুইংয়ের রিভার্স বল করেছিলেন কি না তা জানা যায়নি। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল