Alexa রাণীনগরে প্রস্তুত ১৬ হাজার পশু

রাণীনগরে প্রস্তুত ১৬ হাজার পশু

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:০৬ ২৯ জুলাই ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

নওগাঁর রাণীনগরে প্রায় ১৬ হাজার পশু কোরবানি বাজারের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

পারিবারিকভাবে ছোট, বড় ও মাঝারি খামারে কোনো রকম ক্ষতিকারক, রাসায়নিক প্রক্রিয়া ছাড়াই পশুর স্বাস্থ্য দেখভাল করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

খামারিরা জানান, চলতি বছর কোরবানির পশু প্রস্তুতিতে তারা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছেন। গ্রামীণ জনপদের বিভিন্ন বাড়িতে পশুর যে পরিমাণ রয়েছে তা স্থানীয়দের চাহিদা মিটিয়েও পার্শ্ববর্তী এলাকার চাহিদা মেটাতে পারবে।

রাণীনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্র বলছে, এ উপজেলায় পারিবারিক ছোট-বড় খামারে ক্ষতিকারক ইন্ডিয়ান বড়ি, ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট ছাড়াই পুষ্টিকর প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করে। এলাকার দেশি জাতের ষাঁড় গরুর প্রতি বিশেষ নজর দেয়া হচ্ছে।

এছাড়াও গাভী (ফুল বকনা), বলদ, মহিষের চাহিদা মোতাবেক পালন করে। উপজেলায় প্রায় এক হাজার ৭শ’ ১৩ জন পারিবারিকভাবে ও ছোট, বড়, মাঝারি খামারে প্রায় ১৫ হাজার ৯শ’ ১৭টি পশু কোরবানি বাজারের জন্য প্রস্তুত করেছেন। এরমধ্যে গরু সাত হাজার ১শ’ ৮৮টি, ছাগল ও ভেড়া আট হাজার ৭শ’ ২৯টি।

প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্র বলছে, এবারে কোরবানি ঈদে প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার পশু কোরবানি হতে পারে। উপজেলায় গরু, ছাগল বা ভেড়ার ছোট-খাটো বেশ কয়েকটি খামার থাকলেও কাশিমপুর ইউপিতে নওগাঁ-৬ (রাণীনগর-আত্রাই) আসনের এমপি ইসরাফিল আলমের ‘পল্লীশ্রী কৃষি প্রদর্শনী সমন্বিত খামার’ উল্লেখযোগ্য। এ খামারটি ২০১৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান কৃষি পদক অর্জন করে। 

খামারের পরিচালক মাহফুজুর রহমান রনি জানান, খামারে কোরবানি বাজারে বিক্রয় যোগ্য ৩০টি গরু, ২৫টি ছাগল ও ৩৫টি ভেড়া রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পারিবারিকভাবে তিন থেকে পাঁচটি গরু-ছাগল নিয়েই অধিকাংশ খামার হয়। এছাড়াও একটি দুটি করে গরু অধিকাংশ বাড়িতেই রয়েছে। সব ধরনের গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া পালনে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অফিসের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়।

রাণীনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ভেটেরিনারী সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, খামারিদের রাসায়নিক স্ট্রেরয়েড ছাড়াই স্বাস্থ্যসম্মত সুস্থ সবল গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া পালনে প্রয়োজনীয় সব ধরণের স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া খামারিদের নিয়ে প্রতি মাসে সচেতনতা বিষয়ক সভা করা হচ্ছে। 

কোরবানির হাটে যেন অস্বাস্থ্যকর গরু বেচা-কেনা না করতে পারে সেদিকে নজর দেয়া হচ্ছে। কোরবানির হাট ও প্রাণী স্বাস্থ্যসেবা মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোরবানির পশুর চামড়া সঠিক পন্থায় সংরক্ষণের জন্য স্থানীয় কসাইদেরও এরমধ্যে তাগিদ দেয়া হয়েছে।

রাণীনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবু তালেব বলেন, এ উপজেলায় কোরবানির জন্য পশু আমাদানি করতে হবে না। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ও কোনো প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার না করায় খামারের গরু, ছাগল ও ভেড়ার স্থানীয় বাজারে চাহিদা রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আর.এইচ/আরএম

Best Electronics
Best Electronics
শিরোনামকুমিল্লার বাগমারায় বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৭ শিরোনামবন্যায় কৃষিখাতে ২শ’ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হবে না: কৃষিমন্ত্রী শিরোনামচামড়ার অস্বাভাবিক দরপতনের তদন্ত চেয়ে করা রিট শুনানিতে হাইকোর্টের দুই বেঞ্চের অপারগতা প্রকাশ শিরোনামচামড়া নিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সমাধানে বিকেলে সচিবালয়ে বৈঠক শিরোনামডেঙ্গু: গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৭০৬ জন: স্বাস্থ্য অধিদফতর শিরোনামডেঙ্গু নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন দুপুরে আদালতে উপস্থাপন শিরোনামডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমছে: সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক শিরোনামইন্দোনেশিয়ায় ফেরিতে আগুন, দুই শিশুসহ নিহত ৭ শিরোনামআফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা, নিহত বেড়ে ৬৩