Alexa রহস্যজনক চীনা ভাইরাসে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

রহস্যজনক চীনা ভাইরাসে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:০৬ ২১ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৩:৩২ ২১ জানুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

চীনে ছড়িয়ে পড়া নতুন রহস্যজনক ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সেখানে ৮৯ বছর বয়সী আরো একজন মারা গেছেন। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৪ জনে দাঁড়িয়েছে। 

মঙ্গলবার চীনের কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করে বলে, এই ভাইরাসে প্রতিনিয়ত আক্রান্ত এবং নিহতদের সংখ্যা বেড়েই চলছে।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ডিসেম্বরে উহান শহরে এই ভাইরাসের আবির্ভাব ঘটে। এই ভাইরাসে সর্বশেষ মারা যাওয়া ব্যক্তিটিও উহান শহরের বাসিন্দা ছিলেন।

দেশটির বেইজিং এবং সাংহাইর মতো বড় শহরে গত কয়েকদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে। তবে বেসরকারি একটি সূত্র জানিয়েছে, এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজারেরও বেশি।

সোমবার চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন  বলে, চীনের গুয়াংডং প্রদেশে একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ার কারণে দুজন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। পৃথক এক বিবৃতিতে উহান পৌর স্বাস্থ্য কমিশন জানিয়েছে, উহানে কমপক্ষে ১৫ জন চিকিৎসা কর্মী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আক্রান্তদের আলাদাভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এছাড়া এই ভাইরাসে থাইল্যান্ডে দুই জন, জাপানে একজন এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় আরো একজন আক্রান্ত হয়েছে। এই ভাইরাস নিয়ে লন্ডনের ইমপিরিয়াল কলেজে ‘এমআরসি সেন্টার’ কাজ করছে।

রহস্যজনক এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে কয়েকটি দেশ। সিঙ্গাপুর এবং হংকং তাদের বিমান বন্দরে চীনের উহান থেকে যাওয়া যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র তাদের সান ফ্রান্সিসকো, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে একই ধরণের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে জানা গেছে। 

চীনের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উহান শহরে সামুদ্রিক খাবার বিক্রির একটি স্থানীয় বাজার থেকে এই ভাইরাসটি ছড়িয়েছে। এটি নিউমোনিয়ার মতো করোনা নামক একটি ভাইরাস। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলো হলো জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট যা থেকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মনে হতে পারে তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।

সূত্র- বিবিসি

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএমএফ