Alexa যেভাবে সাকিবকে সন্দেহ করে আইসিসি

যেভাবে সাকিবকে সন্দেহ করে আইসিসি

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:২৭ ১ নভেম্বর ২০১৯  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

জুয়াড়ির তথ্য গোপন করায় আইসিসি থেকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু কিভাবে আইসিসি বুঝতে পারে এমন কিছু করেছেন সাকিব? তদন্তের স্বার্থে দু’বার সাকিবের সঙ্গে দেখাও করে যায় আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকসু)। এ থেকে মনে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক, কিভাবে আইসিসির সন্দেহের তালিকায় আসেন টাইগার অলরাউন্ডার? 

আইসিসি নিজেদের কালো তালিকাভুক্ত প্রত্যেককে নজরদারীতে রাখে। তাদের ফোন কল সহ সবকিছু নিয়মিত চেক করে আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকসু)। দীপক আগারওয়াল নামের জুয়াড়ি আগে থেকেই আইসিসির কালো তালিকাভুক্ত। আইসিসি তার ফোন ট্র্যাক করেই প্রথম বুঝতে পারে সাকিবের সঙ্গে এই জুয়াড়ির যোগাযোগ আছে।  

এরপরই আইসিসি সাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করে ও তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এসময় সাকিব সব ধরনের তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন আকসুকে। এ সহায়তার ফলেই শাস্তির মাত্রা কম হয়েছে তার। 

তবে সাকিবকে শাস্ত্রি দিলেও জুয়াড়ি আগারওয়ালের কিছুই করতে পারেনি সংস্থাটি। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, তিনি দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। 

বর্তমানে দুবাইতে একটি ক্রিকেট একাডেমি পরিচালনা করছেন আগারওয়াল। তিনি প্রস্তাবিত একটি টি-টুয়েন্টি লিগের প্রমোটার হিসেবে নিজের পরিচয় দিয়ে থাকেন। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, খুব একটা বড় মাপের জুয়াড়ি নন তিনি। দলের ভেতরের গোপনীয় তথ্য ক্রিকেটারদের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করেন তিনি। তার উপরে আরও অনেকে কাজ করছেন। আগারওয়ালের কাজ হচ্ছে কেবল খেলোয়াড়দের সঙ্গে সম্পর্ক করে তাদের থেকে বিভিন্ন ম্যাচের তথ্য সংগ্রহ করা। তার আসল নাম বিক্রম আগারওয়াল।

আইসিসির প্রচলিত আইন হিসেবে যেকোন জুয়াড়িকে তারা শুধুমাত্র ট্র্যাক করতে পারবে। শাস্তি দেয়ার কোনো সুযোগ নেই সংস্থাটির। মূলত এই সুযোগ নিয়েই অপকর্ম চালিয়ে যান জুয়াড়িরা। ফলে আইনটি সংশোধন করা এখন সময়ের দাবি। 

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ