Alexa যেভাবে হত্যা করা হয় রাজশাহীর খামারি মজিদকে

যেভাবে হত্যা করা হয় রাজশাহীর খামারি মজিদকে

রাজশাহী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৪৬ ৯ ডিসেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৭:৫১ ৯ ডিসেম্বর ২০১৯

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

চারদিন আগে পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনায় অংশ নেন তিনজন। হত্যার আগে প্রথমে আবদুল মজিদকে নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করানো হয়। এরপর গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এতে ব্যর্থ হলে গলায় মাফলার পেঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা। এরপর তারা দুইটি গাভি ও দুইটি বাছুর একটি ভুটভুটিতে তুলে পালিয়ে যায়। খামারি মজিদের চারটি গরু লুটে নিতেই হত্যাকারীরা পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে।

এ হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার আটজনের বরাত দিয়ে রোমহর্ষক তথ্য তুলে ধরেন রাজশাহীর উপ-পুলিশ কমিশনার সাজিদ হোসেন। 

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মজিদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
 
সাজিদ হোসেন বলেন, গত ৪ ডিসেম্বর রাতে দাশপুকুর এলাকা থেকে মজিদকে হত্যা করে তার চারটি গরু লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনা অনুসন্ধানের সময় মূল পরিকল্পনাকারিসহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন নগরীর রাজপাড়া থানার বহরমপুর এলাকার হামিদুর রহমান বাবু, হড়গ্রাম নতুনপাড়ার রবিউল ইসলাম, চন্দ্রিমা থানার উজিরপুর এলাকার আবদুস সামাদ, আবুল কাশেম ও মোসা. আশুরা। 

গত শনিবার রাতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
 
সাজিদ হোসেন বলেন, প্রথমে সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ও হত্যা মিশনে সরাসরি অংশগ্রহণকারীদের গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন দাশপুকুর এলাকার আয়নাল মীরের ছেলে আরিফুল ইসলাম, বহরমপুর আলীগঞ্জ এলাকার তাহাসেন আলীর ছেলে মিলন ও বহরমপুর এলাকার আবদুর রহমানের ছেলে জিন্দার। তাদেরকে রোববার রাতে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরো বলেন, নগরীর উজিরপুর এলাকা থেকে ওই চারটি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকা থেকে ভুটভুটিও উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়।
 
গত ৪ ডিসেম্বর রাতের দাশপুকুর বাইপাস সড়কের পাশে খামারি আবদুল মজিদ হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তার খামার থেকে লুট করে নিয়ে যাওয়া হয় চারটি গরু। এ ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে আবদুস সালাম বাদী হয়ে রাজপাড়ায় থানায় হত্যা মামলা করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ