Alexa যেভাবে কোটিপতি বনে যান কাউন্সিলর মঞ্জু

যেভাবে কোটিপতি বনে যান কাউন্সিলর মঞ্জু

মো. ইদ্রিস আলম ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:৪৪ ৩১ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ১৯:৪৫ ৩১ অক্টোবর ২০১৯

কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জু

কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জু

ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে কোটিপতি হয়েছেন ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জু। রাজধানী সুপারমার্কেটের প্রায় দুই হাজারের বেশি দোকান রয়েছে কাউন্সিলর মঞ্জুর।  ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে অবৈধভাবে গত ৯ বছরে মার্কেটটির সভাপতির পদ দখল করে আছেন তিনি। সভাপতির পদে থেকে চাঁদাবাজিতেই ব্যস্ত ছিলেন মঞ্জু। আর এভাবেই তিনি কোটিপতি বনে গেছেন। এমন অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দা ও মার্কেটের ব্যবসায়ীদের।  

চলমান শুদ্ধি অভিযানের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর টিকাটুলিতে ডিএসসিসি ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৩ এর একটি দল। এ সময় তার কার্যালয় থেকে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক জব্দ করেছে র‍্যাব। অভিযানের কথা শুনে ও তার গ্রেফতারের খবর পেয়ে ছুটে আসেন দীর্ঘদিন থেকে অত্যাচারিত ও লাঞ্ছিত হওয়া অনেকে। গণমাধ্যমে তার গ্রেফতারের বিষয়টি প্রকাশ করার পর নিজেদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন স্থানীয়রা।

তারা বলেন, ‘আল্লাহ এবার এই এলাকার মানুষদের শান্তিতে ঘুমানোর সুযোগ করে দিলো। মনে হয় না আর কেউ এমন অন্যায়-অত্যাচারের শিকার হবেন।’

তারা বলেন, কাউন্সিলর মঞ্জুকে চাঁদা না দিয়ে এলাকায় কেউ কোনো ব্যবসা শুরু করতে পারত না। চাঁদা না দিলেই অত্যাচার করতো তার পোষা সন্ত্রাসী বাহিনী।

এসময় এলাকাবাসী সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এবার থেকে দলের পদ-পদবী দেয়ার সময় যাচাই-বাচাই করে দিলে হয়তো এমন সন্ত্রাসী মানুষ ক্ষমতায় আসতে পারবে না। নতুন করে যেন এই সুযোগ কেউ না পায় সেই দিকে নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানান স্থানীয়রা। 

এদিকে কাউন্সিলর মইনুল হক মঞ্জু গ্রেফতারের সংবাদে তার কার্যালয়ের সামনে ভিড় করে শত শত মানুষ। এ সময় এলাকাবাসীরা মঞ্জুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেয় ও একে অপরের মুখে মিষ্টি তুলে দেন। এক পর্যায়ে তাদের বাধ ভাঙা উল্লাস নিয়ন্ত্রণ করতে র‍্যাব সদস্যদের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসবি/এমআরকে