যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সমুচিত জবাব দিয়েছে ইরান: খামেনি

যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সমুচিত জবাব দিয়েছে ইরান: খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৪৯ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ০৯:৫২ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ নিতে এরইমধ্যে মার্কিনিদের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়েছে ইরান। এখন মার্কিন সেনাদের পক্ষে মধ্যপ্রাচ্যে টিকে থাকাটাই এক প্রকার অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সমুচিত জবাব দেয়ার মাধ্যমে ইরানিরা সারা বিশ্বে অনন্য নজির স্থাপন করেছে।

শনিবার রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এ কথা বলেন।

সমাবেশে আয়াতুল্লাহ আল খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এখন উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। আর এ ক্ষেত্রে উস্কানি দিচ্ছে কয়েকটি দেশ। তবে ইরান কখনই নতি স্বীকার করবে না। কেননা  ইরান শত্রুদের চাপকে ভয় পায় না। সব ধরনের চাপ ও হুমকি মোকাবিলার জন্য ইরান প্রস্তুত।

গত ৩ জানুয়ারি ইরাকের বাগদাদে ড্রোন হামলা চালিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করে মার্কিন সেনারা। এ হত্যাকাণ্ড চালানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে। এর প্রতিশোধ নিতে গত ৮ জানুয়ারি ইরাকে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি আইন আল-আসাদে টানা দুই ঘণ্টা ধরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এরপর আরো বেশ কয়েকবার মার্কিনিদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে তেহরান।

সে দিকে ইঙ্গিত করে খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য সবকিছুই করতে পারে। তারা যেভাবে সোলাইমানিকে হত্যা করেছে সেটা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের শামিল। ইরান তাদের এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সমুচিত জবাব দিয়েছে।

এ সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আরো বলেন, মার্কিনিরা নিজেদের অপ্রতিরোধ্য মনে করে। সারা বিশ্বেই এ ধরনের ধারণা ছড়িয়ে দিয়েছে তারা। তবে এটা সত্যি নয়। আর ইরান তা বুঝিয়ে দিয়েছে। সোলাইমানি হত্যার পর ইরান মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অথচ তারা সেটা প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। আর এর মধ্য দিয়ে সারা বিশ্বে নজির স্থাপন করেছে ইরান।

সূত্র: তেহরান টাইমস

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএএইচ/এসএমএফ