যানবাহনে আরোহনের দোয়া, আমল ও সুন্নতসমূহ 

যানবাহনে আরোহনের দোয়া, আমল ও সুন্নতসমূহ 

ধর্ম ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:২১ ১ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৭:২৬ ১ জুলাই ২০২০

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

আমরা প্রয়োজনের তাগিদে বাসা-বাড়ি থেকে বাহিরে, বাহির থেকে বাসা-বাড়ীতে আসা যাওয়া করি। কেউ সড়ক পথে আবার কেউ নদী পথে। নিম্নে এ সংক্রান্ত দোয়া, আমল ও সুন্নতসমূহ তুলে ধরা হলো।

প্রিয়নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি সওয়ারিতে বসার সময় নিম্নের দোয়াটি পাঠ করতেন। দোয়াটি পশু ও যান্ত্রিক যানবাহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। 

প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের উচিত সফরের সময় পরকালীন কঠিন সফরের (মৃত্যু) কথা স্মরণ করা। যা অবশ্যই সংঘটিত হবে।
   
সড়কপথে যানবাহনে চলাচলের দোয়া-

বাংলা উচ্চারণ: সুবহানাল্লাজি সাখখারা লানা হা-জা ওয়ামা কুননা লাহু মুক্বরিনীন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনক্বালিবুন। (সূরা: যুখরূফ, আয়াত: ১৩-১৪)।

অর্থ: মহান পবিত্র তিনি, যিনি আমাদের জন্য এটাকে (যানবাহনকে) অধীন-নিয়ন্ত্রিত বানিয়ে দিয়েছেন, নতুবা আমরাতো এটাকে বশ করতে সক্ষম ছিলাম না। একদিন আমাদেরকে আমাদের প্রভুর নিকট অবশ্যই ফিরে যেতে হবে।

নদীপথে যানবাহনে চলাচলের দোয়া-

নদীপথে নৌকা বা জাহাজ ইত্যাদিতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে এই দোয়া পড়া:


 
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়া মুরসাহা ইন্না রাব্বি লাগাফুরুর রাহিম। (সূরা: হুদ, আয়াত: ৪১)।

অর্থ: আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি। আমার পালনকর্তা অতি ক্ষমাপরায়ন, মেহেরবান।

হজরত নুহ আলাইহিস সালামকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল যে, বেঈমান-কাফিরদেরকে বাদ দিয়ে আপনার পরিবারবর্গ ও ঈমানদারদের নৌকায় তুলে নিন। নুহ আলাইহিস সালাম করলেনও তাই। বন্যা এসে গেলে তিনি জাহাজে উক্ত দোয়া পাঠ করেন।

যানবাহনে আরোহনের সময় প্রাসঙ্গিক সুন্নতসমূহ:

(ক) যানবাহনে উঠার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলে পা রাখা। (তিরমিজি)

(খ) যানবাহনের উঠার পর স্থির হলে বা বসার পর ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা তার পর আরোহনের দোয়াটি পড়া। (তিরমিজি)।

(গ) দোয়া পড়ার পর তিনবার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ এবং তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলা। (তিরমিজি)।

ভ্রমণ অবস্থায় সওয়ারি (যানবাহন) যখন ওপরের দিকে ওঠে, তখন ‘আল্লাহু আকবার’ আর যখন নিচের দিকে নামে তখন ‘সুবহানাল্লাহ’ পড়া।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে