মৎস্য উৎপাদন ও বিপণন অব্যাহত রাখতে হটলাইন

মৎস্য উৎপাদন ও বিপণন অব্যাহত রাখতে হটলাইন

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৫৩ ৪ এপ্রিল ২০২০   আপডেট: ১৬:৫৭ ৪ এপ্রিল ২০২০

মতবিনিময় সভায় সংশ্লিষ্টরা । ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মতবিনিময় সভায় সংশ্লিষ্টরা । ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

করোনা সংকটেও মৎস্য উৎপাদন, সরবরাহ, বিপণন ও রফতানি অব্যাহত রাখতে যেকোনো সমস্যায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের হটলাইনে তাৎক্ষণিকভাবে ফোন করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার রাজধানীর মৎস ভবনে মৎস্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানানো হয়। এতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মৎস্য খাতের অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করেন। 

সভায় এ সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় ০২-৯১২২৫৫৭ হটলাইন নম্বরে অবহিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে মন্ত্রণালয় দ্রুততার সঙ্গে উদ্যোগ নেবে বলে জানানো হয়েছে। 

সভায় সংগঠনের নেতারা বর্তমান পরিস্থিতিতে মৎস্য পোনা পরিবহন ও বাজারজাতকরণে বাধা, মাছের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ানোর গুজব, আমদানি করা মৎস্য খাদ্য উপকরণ ছাড়করণে বন্দর ও কাস্টমস জটিলতা, মাছের মোকাম বন্ধ থাকা, ব্যাংক ঋণের সুদ মওকুফ ও কিস্তি স্থগিতকরণ, রফতানি হ্রাস, চিংড়ি রফতানিতে প্রণোদনা বৃদ্ধিসহ অন্যান্য বিষয় তুলে ধরেন। 

এ সময় সমস্যা সমাধান ও সৃষ্ট ক্ষতিপূরণে সরকার সাধ্যমত সবকিছু করবে মর্মে অংশীজনদের আশ্বাস দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। 

তিনি বলেন, সরকার সব সময় আপনাদের পাশে আছে। মৎস্য পোনা পরিবহন, বাজারজাতকরণ, মোকাম সচল রাখার বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে মৎস্য অধিদফতর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আপনারা মৎস্য সরবরাহ চেইন সচল রাখবেন। 

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ সভাপতিত্ব করেন। এতে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ মেরিন ফিশারীজ অ্যাসোসিয়েশন, ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ লাইভ এন্ড চিলড ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, শ্রিম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ এবং ফিস হ্যাচারি এন্ড ফার্ম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ-এর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস.আর/জেডআর