মেয়ে জীবিত না মৃত জানার আকুতি বাবার

মেয়ে জীবিত না মৃত জানার আকুতি বাবার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৩২ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ০১:৫৯ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ধর্ষণ মামলায় কারাগার থেকে জামিনে বের হয়ে আসেন সুফিয়ান। দুলাভাইয়ের বিশেষ বলয়ে বেপরোয়া জীবনের অংশ হিসেবে রাবেয়া খাতুন নামের দশম শ্রেণির ছাত্রীকে প্রতিনিয়ত উত্ত্যক্ত করতেন তিনি। এ নিয়ে সুফিয়ানের পরিবারে বিচার দেন ওই ছাত্রীর বাবা ফয়জুল্লাহ মোল্যা। এরপরই তার মেয়েকে অপহরণ করা হয়। দেড় মাস ধরে মেয়ের খোঁজ না পেয়ে বাবার জানার আকুতি, মেয়ে জীবিত না মৃত।

সাতক্ষীরার দেবহাটার শশাডাঙ্গা গ্রামে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করছেন ওই ছাত্রীর বাবা। এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে মামলাও করেছেন তিনি। মামলার আসামিরা প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন তিনি।

ফয়জুল্লাহ মোল্যা বলেন, পাশের এলাকা গোবরাখালি আসাদুর রহমানের ছেলে আবু সুফিয়ান প্রায়ই আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করত। এক পর্যায়ে মেয়েকে উত্ত্যক্ত না করতে তার পরিবারকে বিষয়টি জানাই। কিন্তু দুলাভাইয়ের বিশেষ বলয়ে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে সুফিয়ান। এতে মেয়েকে বিদ্যালয়ে পাঠানো বন্ধ করে দেই। তবুও মেয়েকে রক্ষা করতে পারলাম না আমি। ১৯ ডিসেম্বর আমার স্ত্রী ও মেয়ে সাতক্ষীরা সদরের দত্তবাগ এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যায়।

সেখান থেকে সাতক্ষীরা সদরের ছয়ঘরিয়ার হামিদ ঢালীর ছেলে সাইফুল ইসলাম,তার স্ত্রী শিল্পী, দেবহাটার গোবরাখালি গ্রামের কফিল উদ্দীনের ছেলে আসাফুর রহমান ও একই এলাকার হায়দার আলীর ছেলে আবু জাহিদ দত্তবাগ থেকে মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের দেড় মাস পার হয়েছে। জানিনা মেয়ে আমার জীবিত না মৃত আছে। মেয়ের অবস্থা জানতে ইচ্ছে করছে।

তিনি আরো জানান, ঘটনার পর মেয়েকে উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।  এছাড়া মামলা তুলে নিতে প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে আসামিরা। এ নিয়ে বিপদে আছি।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত এসপি (সদর সার্কেল) মির্জা সালাউদ্দীন বলেন, ওই মামলার দুই আসামি জামিনে রয়েছে। এতে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাচ্ছে না। তাদের জামিন বাতিল হলেই আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়া প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ/আরএ