Alexa মেয়াদ শেষ হলেও হয়নি সংস্কার 

মেয়াদ শেষ হলেও হয়নি সংস্কার 

রিফাত আহমেদ রাসেল, দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৪৯ ১০ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ১৫:৫৯ ১০ অক্টোবর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নেত্রকোণার দুর্গাপুর-কলমাকান্দা সড়ক। এ সড়কে যাতায়াত করে দুই উপজেলার হাজার হাজার মানুষ। অতিরিক্ত গাড়ি চলাচলে সড়কটি বেহাল হয়। সেই বিবেচনায় সড়ক সংস্কার করতে বরাদ্দ দেয় সরকার। সেই বরাদ্দে সংস্কার কাজও শুরু হয়। তবে নির্ধারিত মেয়াদের পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি সংস্কার কাজ। তাই দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ।

এলজিইডির তথ্যানুযায়ী, ২০১৮ সালের ৫ আগস্ট ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে দুর্গাপুর-কলমাকান্দা পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজ শুরু হয়। সেই কাজটি পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ডলি কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। সড়কটির সংস্কারে তিনটি প্যাকেজ ধরা হয়। এর মধ্যে দুর্গাপুর-নাজিরপুর পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার একটি প্যাকেজ ও নাজিরপুর-কলমাকান্দা বাজার পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটিার দুটি প্যাকেজ ধরা হয়। 

পৌর শহরের প্রেস ক্লাব মোড়, দেশায়ালীপাড়া, এমকেসিএম মোড়, বুরুঙ্গা, চন্ডিগড় ইউপির মাকরাইল, চন্ডিগড় বাজার, একতা বাজার, সাতাশি, মধুয়াকোণায়সহ বিভিন্ন স্থানে ইট দিয়ে কার্পেটিং করা। এতে গাড়ি চলাচলের ফলে ফের খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্বস্তিতে যানবাহন চলাতো দূরের কথা, মানুষ হেঁটে যেতে পারছেন না। এছাড়া সড়কে অনেক গাড়ি বিকল হতে দেখা গেছে।

সাতাশি গ্রামের জলিল মিয়া বলেন, আগে ভাঙা সড়কে চলাচল করা যেত। এখন সংস্কার কাজের ফলে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি করেছে। এতে আমাদের চলাচল বন্ধ হয়েছে। এক বছর আগে একটু কাজ শুরু করছিল। এখনো সেই কাজ শেষ করাতো দূরের কথা, আর শুরুই করেনি। তাছাড়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মানুষকে সড়কে দেখি না। এ সড়কের জন্য কি কষ্টে আছি, তা বলে বুঝাতে পারব না। সবচেয়ে কষ্টে রয়েছে রোগী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবীরা। 

এ ব্যাপারে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ডলি কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের কর্মকর্তারা কথা বলতে রাজি হননি।

উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কর্মকর্তা আব্দুল আলিম লিটন জানান, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ধীরগতির কারণে এখনো সড়কের সংস্কার কাজ শেষ হয়নি। তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজটি শেষ হবে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় এমপি মানু মজুমদার বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে দুর্গাপুর-কলমাকান্দা মানুষ সড়কটির জন্য মানুষরা কষ্ট পাচ্ছেন। সড়কটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে সড়কটির কাজ এখনো শেষ হয়নি। এরইমধ্যে  মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে সড়কটির কাজ নিয়ে কথা বলেছি। সড়কে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে ব্যক্তিগত অর্থে বালু ও পাথর দিয়ে সংস্কার করেছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ