Alexa মেডিকেল পরীক্ষায় প্রথম হলেন ক্যাডেট নূর

মেডিকেল পরীক্ষায় প্রথম হলেন ক্যাডেট নূর

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:১৯ ১৫ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ২১:৩২ ১৫ অক্টোবর ২০১৯

রাগীব নূর

রাগীব নূর

মেডিকেল কলেজে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এতে ৯০.৫০ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন রাগীব নূর।

রাগীব নূর রংপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এর আগে তিনি পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়াশোনা করেছেন।

ফল প্রকাশের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাগীব নূর বলেন, আমি আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কোচিংয়ের ভাইয়াদের অবদান অনেক ছিল। কোচিংয়ের ক্লাসগুলো অনেক ভালো ছিল। রংপুর মেডিকেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কৃতজ্ঞ। এ ফলাফলে টিচারদের পাশাপাশি আমার বাবা-মায়ের অবদানও অনেক। সবার কাছে দোয়া চাই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য বছর অপটিক্যাল মার্ক রিকগনেশন (ওএমআর) মেশিনে শুধুমাত্র উত্তরপত্র দেখা হলেও এবারই প্রথম প্রশ্ন ও উত্তরপত্র দুটোই ইন্টিলিজেন্স ক্যারেকটার রিকগনেশন (আইসিআর) নামক মেশিনে দেখা হয়।

অংশগ্রহণকারী প্রায় ৭০ হাজার পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র স্ক্যানিংয়ের কাজ গত রোববার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে শেষ হয়। এরপর শাহজালাল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মকবুল হোসেনের নেতৃত্বে আলাদা দুটি বিশেষজ্ঞ দল উত্তরপত্র মূল্যায়ন করেন। মূল্যায়ন শেষে ফলাফল প্রকাশে মতামত দেন তারা। 

মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় এ ফল প্রকাশ হয়। পরীক্ষায় পাস করেছেন ৪৯ হাজার ৪১৩ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে ছেলে ২২ হাজার ৮৮২, মেয়ে ২৬ হাজার ৫৩১।

গত শুক্রবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীসহ সারাদেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৩২টি ভেন্যুতে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস প্রথম বর্ষ ভর্তিপরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। 

ভর্তি পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যায় ২০, রসায়নে ২৫, জীববিজ্ঞানে ৩০, ইংরেজিতে ১৫ এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞানে ১০ নম্বর ছিল।

এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় সরকারি চার হাজার ৬৮টি ও বেসরকারি ছয় হাজার ৩৩৬টিসহ ১০ হাজার ৪০৪টি আসনের বিপরীতে মোট ৭২ হাজার ৯২৮ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। গত বছরের চেয়ে এ বছর ৭ হাজার ৯ জন বেশি পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই