Alexa মুজিববর্ষে ফুটবলে থাকবে নানা চমক

মুজিববর্ষে ফুটবলে থাকবে নানা চমক

ক্রীড়া প্রতিবেদক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২০:০৯ ১০ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ২১:৫১ ১০ অক্টোবর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফুটবল বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। আর তাই মুজিববর্ষকে রাঙাতে ফুটবলে নানা ধরনের চমক রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মো. একাব্বর হোসেন এমপি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আগমী বছরকে মুজিববর্ষ নামে অভিহিত করা হয়েছে। মুজিববর্ষে ক্রীড়ায় থাকবে নানা আয়োজন।  তবে বাংলাদেশ সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল। তাই মুজিববর্ষে ফুটবলে থাকবে নানান চমক।

তিনি আরো বলেন, বনার্ঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মহাসমারোহে উদযাপিত হবে বছরটি। এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সারাবছর ক্রীড়া ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা হয়েছে। আগামী বছরের শুরুতেই আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হবে। এছাড়াও, জাতীয় পর্যায়ে মোট ৫০ টি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ৩৯ টি ইভেন্ট আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হবে।

তিনি বলেন, এ ছাড়া আগামী বছর আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলকে বাংলাদেশে আনার কথাও চলছে। এ ছাড়াও ব্রাজিলের কালো মানিক পেলেও আসতে পারে বাংলাদেশে। একইসঙ্গে মুজিববর্ষে বার্সেলোনা-রিয়াল মাদ্রিদের মত ক্লাব গুলোকেও আনার পরিকল্পনা আছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের।

প্রতিমন্ত্রী স্টেডিয়ামে ভরা দর্শক দেখে আরো বলেন, এত দর্শক দেখে মনে হচ্ছে ফুটবলের জনপ্রিয়তায় এখনো ভাটা পড়েনি। তিনি মির্জাপুরের শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম সংস্কার করে পূর্ণ মিনি স্টেডিয়ামে রূপ দেয়ার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, টাঙ্গাইল-৫ আসনের এমপি মো. ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল- ৪ আসনের এমপি আলহাজ হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারীসহ স্থানীয় এমপিরা।

এছাড়া টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. মজিবর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

খেলায় সভাপত্বিত করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. আবদুল মালেক।

ফাইনাল খেলায় বাঙ্গলা কল্যাণ সমিতি ২-০ গোলে সাফর্ত্তা জনকল্যাণ সমিতিকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। চ্যাম্পিয়ন দলকে ১ লাখ টাকা ও রানার্সআপ দলকে ৫০ টাকার প্রাইজমানিসহ ট্রফি দেয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে