Alexa মা চলে গেছেন কান্না থামছে না মাহিমার

মা চলে গেছেন কান্না থামছে না মাহিমার

নিজস্ব প্রতিবেদক   ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২০:১৫ ১২ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ২০:১৯ ১২ নভেম্বর ২০১৯

মাহিমা এখনো জানে না তার মমতাময়ী মা বেঁচে নেই

মাহিমা এখনো জানে না তার মমতাময়ী মা বেঁচে নেই

মায়ের সঙ্গে ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিল শিশু মাহিমা। তবে ট্রেন দুর্ঘটনা মা-মেয়ের বাড়ি ফেরার আনন্দকে মাটি করে দিয়েছে। মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় মা কাকলী প্রাণ হারান। অন্যদিকে আহত হয়েছে মাহিমা।

দুর্ঘটনাস্থল থেকে মাহিমাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। ওই মুহূর্তে স্বজনদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মাথায় ব্যান্ডেজ পড়া শিশুটি মাকে দেখতে না পেয়ে হাউ-মাউ করে কেঁদে চলেছে।  

জানা যায়, মা কাকলীর সঙ্গে গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলায় ফিরছিল মাহিমা। তার বাবা মাঈন উদ্দিন একটি হোটেলে কাজ করেন।

তবে ছোট্ট শিশু মাহিমা এখনো জানে না তার মমতাময়ী মা বেঁচে নেই। ঘাতক ট্রেন কেড়ে নিয়েছে তার মায়ের প্রাণ। তাকে কোলে নিয়ে কপালে চুমু এঁকে আর হয়তো কেউ গাইবে না ঘুমপাড়ানি গান!

স্ত্রীর মরদেহ নিতে এসে মাঈন উদ্দিন  জানান, সিলেটের শাহজালাল (র.) মাজারে মানত ছিল তাদের। সেই মানত পূর্ণ করতে কাকলী মেয়ে মাহিমাসহ কয়েকজন স্বজনের সঙ্গে সিলেটে যান। সেখান থেকেই উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনে করে ফিরছিলেন তারা।  

মঙ্গলবার ভোররাত পৌনে ৩টার দিকে কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের সংঘর্ষ হয়।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহত দুই ট্রেনের শতাধিক যাত্রী। আহতদের ঢাকা ও কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ