Alexa মেধাবী ছাত্র সজল বাঁচতে চায়

মেধাবী ছাত্র সজল বাঁচতে চায়

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৩৬ ১৩ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৫:৩৭ ১৩ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী কলেজের মেধাবী ছাত্র সজল আহাম্মদ জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন থেকে হিফ জয়েন্ট রোগে ভুগছেন। সজল বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার কুশাবাড়িয়া গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে।

জানা যায়, রাজশাহী কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের ছাত্র সজল অনার্সে প্রথম শ্রেণিতে চতুর্থ এবং মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

মাস্টার্সের ফল প্রকাশ হওয়ার দুদিন পর ধরা পড়ে তার জটিল রোগ হয়েছে।  রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. হাসান তারিখ, ডা. জহিরুল হক, ডা. সুব্রত প্রামাণিক, ডা. কামরুজ্জামান পারভেজের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি।

চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, হিফ জয়েন্টের দুটি বলই ড্যামেজ হয়েছে। তাদের পরামর্শে ভারতের কলকাতার ৯৯ সরত বোস রোডের রামকৃজ্ঞ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা নিতে যান সজল। বর্তমানে তিনি উঠে দাঁড়াতে পারেন না। অন্যের সহযোগিতা নিয়ে চলতে হচ্ছে তাকে।

ডা. বিএম পাল, ডা. পি পাল, ডা. জে ঘোষ, ডা. জি বসু একটি বোর্ড গঠন করেন। সেই বোর্ডের সিদ্ধান্ত দেন সজলের হিফ জয়েন্টের সমস্যা হয়েছে। সেটি অপারেশন করলে ভালো হয়ে যাবেন। কিন্তু অপারেশনসহ তার চিকিৎসার জন্য সাড়ে ৯ লাখ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু এ অর্থ ব্যয় করার সামর্থ্য তার পরিবারের নেই।

কী করে ছেলেকে বাঁচাবে এ নিয়ে চরম শঙ্কা আর উৎকণ্ঠায় আছেন সজল আহাম্মদের মা-বাবা। ফলে নিরুপায় হয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের হৃদয়বান ও বিত্তবান মানুষের কাছে সাহায্যের প্রার্থনা করেছেন।

সজলের মা চম্পা বেগম জানান, বর্তমানে থাকার জন্য পৌনে দুই শতাংশ জমির ওপর একটি টিনের ছাপড়াঘর। এ ঘরের টিন বিক্রি করে একমাত্র ছেলে সজলের চিকিৎসা করিয়েছি। এখন এই জমির ওপর কয়েকটি সিমেন্টের খুঁটি ছাড়া কিছুই নেই।

তিনি বলেন, অন্যের বাড়িতে থাকি। এর মধ্যেই ছেলের জন্য ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরি নিয়েছিলাম। কিছু দিন চাকরি করার পর নিজেও অসুস্থ হয়ে চলে এসেছি। ছেলের বাবা মজিবুর রহমান টঙ্গীর গাজীপুর এলিগ্যান্স বিসিক ৪০ গার্মেন্টসে ৮ হাজার টাকা বেতনে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করছেন। এ টাকা দিয়ে সংসার ও ছেলের চিকিৎসা করাব কীভাবে?

অভাবের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। এখন ছেলেকে নিয়ে বড় বেকায়দায় রয়েছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে