মাদরাসার অধ্যক্ষকে মারধর করায় গ্রেফতার ২

মাদরাসার অধ্যক্ষকে মারধর করায় গ্রেফতার ২

ঝালকাঠি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০১:০৩ ২৩ জানুয়ারি ২০২০  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঝালকাঠিতে এক মাদরাসার অধ্যক্ষকে মারধরের অভিযোগে এক শিক্ষকসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বাসিন্দা তালুকদার আবুল কালাম আজাদ ও কেওতা ঘিগড়া ফাজিল মাদরাসার প্রভাষক শাহিন হাওলাদার।

রাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, দুপুরে উপজেলার কেওতা ঘিগড়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা অলিউল্লাহর কক্ষে ঢুকে তাকে তালুকদার আবুল কালাম আজাদসহ কয়েকজন লোক মারধর করেন।

এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মাদরাসার এক শিক্ষকসহ দুইজনকে আটক করে থানায় নেয়া হয়। প্রাথমিক তদন্তে মাদরাসা অধ্যক্ষকে মারধরের সত্যতা পাওয়া যায়।

ঘটনার শিকার অধ্যক্ষ বাদী হয়ে নাজমুল হুদা চমন, তার চাচা তালুকদার আবুল কালাম আজাদ, মাদরাসার উপধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম ও প্রভাষক শাহিন হাওলাদারের নাম উল্লেখসহ আরো ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগে মামলা করেন। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

কেওতা ঘিগড়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা অলিউল্লাহ জানান, গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর অফিস সহকারী কাম কমপিউটার পদের এক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হওয়া মো. হাফিজুর রহমানকে নিয়ম অনুযায়ী মাদরাসায় নিয়োগ দেয়া হয়।

ওই নিয়োগ পরীক্ষায় তালুদার আবুল কালাম আজাদের বড় ভাইয়ের ছেলে নাজমুল হুদা চমনের স্ত্রী যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। ওই পদে চমনের স্ত্রীকে নিয়োগ দিতে চাচা-ভাতিজা আমাকে চাপ দিতে থাকেন।  

বুধবার সকালে আবুল কালাম ও চমন লোকজন নিয়ে এসে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে আমাকে মারধর করতে থাকেন। আমাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসলে মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মোবাশ্বের হোসেন ও এবতোদায়ী প্রধান সাইদুর রহমান আহত হন। 

অধ্যক্ষ আরো বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানের দুই শিক্ষকও মারধরকারীদের সহযোগীতা করেন। চাচা-ভাতিজা ছাড়াও মাদরাসার এ দুই শিক্ষক ষড়যন্ত্রে রয়েছেন বলে জানান তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম