মাগুরা পৌরসভার সড়কে পানি, দুর্ভোগ

মাগুরা পৌরসভার সড়কে পানি, দুর্ভোগ

এস আলম তুহিন, মাগুরা ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২০:১৮ ১৫ জুলাই ২০২০   আপডেট: ২০:৫৫ ১৫ জুলাই ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

‘আমাদের জীবনের নিরাপত্তা নেই, রাতে খুব ভয়ে চলাচল করি, আছে চুরি ও ছিনতাইয়ের ভয়। সড়ক বর্ষায় পানিতে ডুবে থাকায় চলাচল করতে পারি না। ১০ বছর ধরে এভাবেই বেঁচে আছি, নিয়মিত পৌরকর দিচ্ছি। যে সেবাটুকু পাওয়ার কথা তা পাচ্ছি না।’

এমন ক্ষোভের কথা বলছিলেন নীলু আক্তার লাভলী নামের এক নারী। 

মাগুরা শহরতলীর কলেজ পাড়ার পূর্ব অংশ হাজী সাহেবের গলি একাডেমি স্কুলের মাঠের পার্শ্ববর্তী গলির সড়কটি দীর্ঘ দিন সংস্কার ও পাকা না করার ফলে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। 

মাঠের প্রাচীর আর সড়কের পাশে বাড়িঘরের ঘন বসতির ফলে সড়ক খুবই সরু ও চিকন। সড়কটি সরু হওয়ায় ছিনতাইকারী ও চোরের প্রধান রুট হিসেবে পরিণত হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান । 

এলাকার বাসিন্দা মনোয়ার হোসেন বলেন, ১৫ বছর ধরে এখানে বসবাস করছি। আগে এ সড়কটি ছিল খুবই সরু। এখন একাডেমি স্কুলের প্রাচীর হয়ে যাওয়ায় সড়কটি একটু বড় হয়েছে। এলাকায় বসবাসকারীরা পৌরসভার কাছে অনেকবার সড়কটি সংস্কার করার জন্য আবেদন করলেও কোনো কাজ হয়নি। সড়কটির চার ভাগের এক ভাগ ইটের সলিং বাকি অংশ কাঁচা। একটু বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। পাকা না হওয়া পর্যন্ত ইটের রাবিশ বা মাটি দিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ সড়কটি মেরামত করে দিলে চলাচল করা যেত । 

ফজলু মিয়া, জাহিদ মাস্টারসহ অনেকে বলেন, এক পাশে স্কুলের প্রাচীর অন্য পাশে ঘন বসতি বাড়ি থাকার কারণে সড়কটি বেশি সরু হয়ে গেছে। 

সড়ক পুরোপুরি সমতল নয়, কোথাও উঁচু, কোথাও নিচু। রাতের আঁধারে প্রাচীরের পাশে মাঠে চলে মাদকের আড্ডা। অনেক বার প্রশাসনের নজরে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। 

সড়ক ভালো না থাকার কারণে পুলিশের গাড়িও আসতে চায় না। সড়কের লাইট পোস্টে কোনো সড়ক বাতি না থাকায় চরম দুভোগে আছে এলাকাবাসী।  

মাগুরা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার আবু রেজা নান্টু জানান, পৌরসভার মধ্যে এ ওয়ার্ডটি সবচেয়ে বড়। পৌরসভার ওয়ার্ড ভিত্তিক উন্নয়ন খুবই সীমিত।

মাগুরা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার আবু রেজা নান্টু বলেন, পৌরসভার মধ্যে এ ওয়ার্ডটি সবচেয়ে বড়। পৌরসভার ওয়ার্ড ভিত্তিক উন্নয়ন খুবই সীমিত। এরইমধ্যে ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে উন্নয়নমূলক কাজ চলছে। অনেক অভিযোগ ও আবেদন পেয়েছি। এর আগে এ সড়ক নির্মাণে কিছু টাকা খরচ করে মাটি ও রাবিশ ফেলে সংস্কার করেছি। আগামীতে মেয়রের সঙ্গে কথা বলে সড়কটি সংস্কারে চেষ্টা করবো।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে