Alexa মাগুরায় শিক্ষকের ঠোঁট কামড়ে ছিঁড়ে নিলো অপর শিক্ষক

মাগুরায় শিক্ষকের ঠোঁট কামড়ে ছিঁড়ে নিলো অপর শিক্ষক

মাগুরা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:২০ ১৯ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৩:৩৯ ১৯ নভেম্বর ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মাগুরার শালিখা উপজেলায় পিইসি পরীক্ষা চলাকালে শ্রীপতি বিশ্বাস নামে এক শিক্ষকের ঠোঁট কামড়ে ছিঁড়ে নিয়েছে উজ্জ্বল মজুমদার নামে অপর শিক্ষক।

সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার ধনেশ্বরগাতি বাজারে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর জখম অবস্থায় শ্রীপতি বিশ্বাসকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত শ্রীপতি বিশ্বাস শালিখা উপজেলার নাঘোষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। আর উজ্জ্বল মজুমদার একই উপজেলার মশাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এবারের পিইসি পরীক্ষায় (প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী) শালিখা উপজেলার মশাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা থৈপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে অংশ নিচ্ছে। সোমবার থৈপাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রের যে কক্ষে মশাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে, সেখানে বাংলা পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন করছিলেন নাঘোষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শ্রীপতি বিশ্বাস।

তবে পরীক্ষা চলাকালে কক্ষের মধ্যে উচ্চ স্বরে কথা বলায় দায়িত্বরত শিক্ষক শ্রীপতি বিশ্বাস তাদের বেয়াদব বলে গালিগালাজ করেন। পরীক্ষা শেষে এই বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের স্কুলের শিক্ষক উজ্জ্বল মজুমদারের কাছে নালিশ করে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ধনেশ্বরগাতি বাজারে শ্রীপতি বিশ্বাসকে পেয়ে হামলা চালান উজ্জ্বল মজুমদার।

আহত শিক্ষক শ্রীপতি বিশ্বাস বলেন, শিক্ষক উজ্জ্বল মজুমদারের সঙ্গে আমার চাচা-ভাতিজা সম্পর্ক। তার সঙ্গে কেনো ধরনের বিরোধ নেই। অথচ তার স্কুলের ছেলে-মেয়েদের শুধু বকা দিয়েছি, এতেই আমার মুখে কামড় দিয়ে ঠোঁট ছিঁড়ে ফেলেছে।

এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষক উজ্জ্বল মজুমদার বলেন, শ্রীপতি বিশ্বাস শুধু শিক্ষার্থীদের বেয়াদব বলেই ক্ষান্ত হননি। স্কুলের শিক্ষকদেরও বেয়াদব বলে গালিগালাজ করেছেন। তিনি কোথাও পড়ে গিয়েও কেটে যেতে পারে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অমর প্রসাদ বিশ্বাস বলেন, আহত শিক্ষককের অনেকটা জায়গা জুড়ে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। আপাতত প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তবে শিগগিরই অস্ত্রোপচার করতে হবে।

এ বিষয়ে শালিখা থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, দুই শিক্ষকের মধ্যে ব্যক্তিগত বিরোধের জেরেই রক্তারক্তির ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর