Alexa মহামায়া লেকে কায়াকিং

মহামায়া লেকে কায়াকিং

নুরুল করিম ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:৫১ ১২ নভেম্বর ২০১৯  

মহামায়া লেক

মহামায়া লেক

হালকা সবুজাভ স্বচ্ছ পানি, পানির উপর চারদিকের সবুজ পাহাড়ের প্রতিচ্ছবি, অসাধারণ প্রতিটি দৃশ্য, বর্ণনাতীত সেই অনুভূতি। লেকের পাড়ের নির্মল আর বিশুদ্ধ বাতাস আপনার শরীর ও মনকে মুহূর্তেই সতেজ করে তুলবে। মহামায়া লেকের মুগ্ধকর সৌন্দর্য ছাড়াও আরেকটি মূল আকর্ষণ হলো কায়াকিং।

মহামায়া লেকের আয়তন প্রায় ১১ কিলোমিটার। এরমধ্যে কায়াকিং এর মজার অভিজ্ঞতা নিতে ঘুরে বেড়াতে পারবেন লেকের মাঝে আট কিলোমিটার। চারিদিকে সবুজের চাদরে মোড়ানো অথৈ জলে নিজেই চালাবেন নৌকা- এমন অ্যাডভেঞ্চার নিশ্চয়ই কেউ মিস করতে চাইবেন না। 

নৌকায় চড়ার আগে কিছু নিয়ম পালন করতে হলো। ইজারাদারের দেয়া লাইফ জ্যাকেট পরে নেয়া আবশ্যক। এটা ছাড়া কায়াকিং করতে দেয়া হয় না। যেখান থেকে কায়াকিং শুরু হবে, সেখানেই শেষ করতে হবে। অন্য কোথাও থামালে গুনতে হবে জরিমানা। জানা গেল, পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং এলাকার মানুষের সুবিধার জন্যই এ নিয়ম করা। এ ছাড়া কীভাবে নৌকা চালাতে হবে, তার নির্দেশনাও দিয়ে দেয়া হয় ভালোভাবে।

ভিডিওতে দেখুন>>>

এই পাহাড়ে ঘেরা লেকে কায়াকিং করতে খুব বেশি খরচ করতে হয়না। ৩০০ টাকা প্রতি ঘণ্টা, একটি বোটের জন্য। একটি বোটে সর্বোচ্চ দুইজন বসতে পারবেন। চাইলে আধা ঘণ্টাও নিতে পারবেন ২০০ টাকা দিয়ে। তবে স্টুডেন্ট আইডি দেখালে প্রতি ঘণ্টা কায়াকিংয়ের জন্য আপনাকে ২০০ টাকা দিতে হবে। এক্ষেত্রে বলে রাখি, ছুটির দিন কিংবা বিশেষ দিনে ছাত্রদের জন্য এই ছাড় প্রযোজ্য নয়।

মহামায় লেকে যাবেন যেভাবে

ঢাকা-চট্টগ্রামের যেকেনো বাসে করে সরাসরি নামতে হবে মিরসরাইয়ের ঠাকুরদিঘী বাজারে। এছাড়া ঢাকা থেকে ট্রেনে আসলে ফেনী রেলওয়ে স্টেশন নামত হবে। তারপর স্টেশন থেকে মহিপাল বাসস্ট্যান্ড। সেখান থেকে চট্টগ্রামগামী যে কোনো বাস থেকে ঠাকুরদীঘি বাজার আসতে হবে, ভাড়া ৪০ টাকা। সেখান থেকে লেকের গেট পর্যন্ত সিএনজিতে, ভাড়া নেবে জনপ্রতি ১৫টাকা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে