মহামারি ও মহামন্দা সামলে এগোতে হবে

মহামারি ও মহামন্দা সামলে এগোতে হবে

প্রকাশিত: ২০:৫১ ৬ মে ২০২০  

পরিচিতি ও কাব্যচর্চা দুই বাংলায়। মূলতঃ কবি হলেও উপন্যাস, প্রবন্ধ ও বিশ্লেষণধর্মী লেখায়ও পাঠকমহলে জনপ্রিয়। জন্ম, বাস, বেড়ে ওঠা সবই কলকাতায়। কর্পোরেটের চাকরি ছেড়ে সাহিত্যজগতে আত্মপ্রকাশ বেশ দেরিতেই। কিন্তু অগ্রগমন দ্রুত। এরইমধ্যে ১০ টি গদ্য ও উপন্যাস এবং ৪ টি কবিতা সংকলন প্রকাশিত তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আলতাফ, হুমায়ূন ও বঙ্গবন্ধুর কলকাতার জীবন অবলম্বনে লেখা উপন্যাস ‘মহানির্মাণ’।

মহামারি ও মহামন্দা আমাদের দরজায় এসে কড়া নাড়ছে। এটা হওয়ার ছিল। হবেও। একে রোখার ক্ষমতা কারোর নেই। চিকিৎসাবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী লক ডাউনের পঁয়তাল্লিশ- পঞ্চাশতম দিন থেকে সংখ্যাটা শীর্ষাভিমুখী হয়। আগামী একমাস আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়বে। 

বাংলাদেশে এখন অবধি আক্রান্ত ১১, ৭১৯ জন। মৃত্যু ১৮৬ জন। বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৯০ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত একদিনে এটাই সর্বোচ্চ সংখ্যক শনাক্ত হওয়া রোগী। এখনো পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৯৯, ৬৪৬ জনের। মঙ্গলবার ভারত ও বাংলাদেশ জুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ভারতে ৪৭ হাজারের কাছাকাছি ছিল। বুধবার ফের একটা লাফে তা ৪৯ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গেল। গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৯৫৮ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। তার ফলে ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৪৯ হাজার ৩৯১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা এখন ১ হাজার ৬৯৪ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, এর মধ্যে ৭০ শতাংশ রোগীই কো-মর্বিডিটির কারণে মারা গিয়েছে। সারা দেশের নিরিখে করোনা পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ আকার নিয়েছে মহারাষ্ট্রে। সেখানে ১৫ হাজার ৫২৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৬১৭ জনের। এর পরেই রয়েছে গুজরাত। সেখানে করোনা আক্রান্ত ৬ হাজার ২৪৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৬৮ জনের।  তৃতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি। সেখানে আক্রান্ত ৫ হাজার ১০৪ জন। ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। কেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতে পশ্চিমবঙ্গে করোনা-মৃত্যুর হার সব চেয়ে বেশি। কিন্তু এই অভিযোগ মানতে রাজি নয় রাজ্য সরকার। স্বরাষ্ট্রসচিবের বক্তব্য, পরিকাঠামোগত সমস্যা ছিল। সেই জন্য প্রাথমিক কিছু পরিসংখ্যান দেখে কোনো ধারণা তৈরি করে নেয়া ঠিক নয়। এই অতিমারি এবং তার মোকাবিলা একটা চলমান প্রক্রিয়া। সেগুলো বিচার করেই পরিসংখ্যানের বিশ্লেষণ করা উচিত। একথা অনস্বীকার্য যে কোথাও সরকার করোনার জন্ম দেয়নি। কিন্তু তারা প্রস্তুত হওয়ার সময় পেয়েছিল।

বাংলাদেশে দিন দিন বাড়ছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ। প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যায় গড়ছে নতুন রেকর্ড। এই মুহূর্তে মৃত্যুর সংখ্যা কমা ছাড়া দেশের মানুষের জন্য কোনো সুখবর নেই। বরং বিশ্বে করোনা আক্রান্তের তালিকায় এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের অবস্থান ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

এরইমধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের দিক দিয়ে বিশ্বে ৩৭তম স্থানে চলে এসেছে বাংলাদেশ। এমনই তথ্য দিচ্ছে করোনা ভাইরাস নিয়ে বিশ্বব্যাপী তথ্য দেয়া ওয়ার্ল্ডোমিটার। করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। এরপরই রয়েছে চট্টগ্রাম এবং ময়মনসিংহ বিভাগ। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ৮ মার্চ।

২৬ এপ্রিল থেকে পোশাক কারখানা খোলা হয়েছে। এদিকে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১০ মে থেকে ব্যবসাকেন্দ্র, দোকানপাট ও শপিংমলগুলো শর্ত সাপেক্ষে সীমিত পরিসরে খোলা হবে। বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকা-সহ দেশের সব মসজিদে নামাজ পড়ার অনুমতি দিল বাংলাদেশ প্রশাসন। তবে সেক্ষেত্রে করোনা স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত নিয়ম মেনে চলতে হবে বলেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বুধবার একথা জানিয়েছেন দেশের ধর্ম সংক্রান্ত বিষয়ক মন্ত্রী শেখ মহম্মদ আবদুল্লাহ। প্রাথমিক লকডাউনের পর ১০ মে থেকে বাংলাদেশে খুলছে শপিংমল এবং দোকানপাট। এরপরই দাবি উঠেছিল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার জন্য। এই বিষয়ে চিন্তাভাবনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেও আবেদন করা হয়েছিল। এরপরই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনায় বসে প্রধানমন্ত্রীর দফতর। অবশেষে অনুমতি দেয়া হলো মসজিদে নামাজ পড়ার। বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধির জন্য পোশাক কারখানা খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। পরোক্ষে এই অভিযোগ স্বীকারও করে নিয়েছে প্রশাসন। সাভারের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা আধিকারিক সায়েমুল হুদা বলেন, 'বিভিন্ন কারখানাগুলো খোলার পর আক্রান্ত বাড়ছে। সাভারে অনেক রোগী রয়েছেন যাদের তথ্য আমাদের কাছে নেই। কারণ তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে আক্রান্ত হয়ে সাভারে এসেছেন। তারা তথ্য গোপন রেখেছেন।' আগামী ১৪ দিন কঠিন সময়। এই সময়ে চূড়ান্ত সতর্কতা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে দৈনন্দিন জীবনযাপনের পরামর্শ দিয়েছেন এই স্বাস্থ্য আধিকারিক। বাস্তবে তা না হলে মে মাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যু এবং রোগী দু'টোই দেখা যাবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি। সায়েমুল হুদা বলেন, 'শ্রমিকদের পরীক্ষা করে তবেই কারখানায় প্রবেশের ব্যবস্থা করতে হবে।' গত ১৪ এপ্রিল সাভারে প্রথম করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। এর ১৭ দিনের মাথায় আক্রান্তর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ জন।  

এর পরে আসছে মহামন্দা। ভারতে সিএমআইই-র পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৩ মে শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশে বেকারত্বের হার ২৭.১১%। আগের সপ্তাহে ছিল ২১.০৫%। লকডাউন শুরুর পরেও সর্বোচ্চ। পুরো মাস দেশের ঘরবন্দি দশার খেসারত গুনে এপ্রিলে বেকারত্ব পৌঁছেছে ২৩.৫২ শতাংশে। ফেব্রুয়ারি তো বটেই, মার্চেরও প্রায় তিন গুণ। যে দেশে প্রায় ৯০% কর্মী অসংগঠিত ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত, সেখানে দেড় মাস আর্থিক কর্মকাণ্ড কার্যত বন্ধ থাকলে, কাজ হারানো মানুষের সংখ্যা বাড়াই স্বাভাবিক। লকডাউনে যেভাবে কাজ খুইয়ে পরিযায়ী শ্রমিকেরা পথে নেমেছিলেন বা রোজগার গিয়েছে ঠিকা কর্মীদের, তাতে বেহাল দশার আঁচ মিলছিল। দিন আটেক আগেই আশঙ্কার কথাটি পেড়েছিলেন কেভিন হ্যাসেট। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আর্থিক উপদেষ্টা। বলেছিলেন, করোনার জেরে বেকারত্বের হার পাল্লা দেবে গত শতাব্দীর ত্রিশের দশকের মহামন্দার (গ্রেট ডিপ্রেশন) সময়ের সঙ্গে। সেই ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ প্রযোজ্য সব বড় দেশের জন্যে। অসংগঠিতের পাশাপাশি ছাঁটাই হতে পারে সংগঠিত ক্ষেত্রেও। এছাড়া এই লক ডাউন মানুষের কিছু মূল অভ্যাসের পরিবর্তন ঘটিয়েছে। তার প্রভাব অবশ্যই পড়বে কাজের বাজারে।

করোনাভাইরাস ব্যাপক বিস্তারের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি এখন বড় ধরণের বিপর্যয়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছে বলে বিভিন্ন সংস্থা সতর্ক করে দিচ্ছে। বিশ্বব্যাংক তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে, করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৮% নেমে দুই কিংবা তিন শতাংশ হতে পারে। করোনার মহামারীর কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি কতটা ক্ষতিগ্রস্ত ও সংকটে পড়তে পারে তার ভবিষ্যৎবাণী বা পূর্বাভাসের বারবার পরিবর্তন করতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে। কারণ যতই দিন যাচ্ছে, ক্ষতির মাত্রা ততই বেড়ে যাচ্ছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি’র সদ্য প্রকাশিত সবশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা সংক্রমণের মহামারীর কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ক্ষতি হবে ১ হাজার ৩শ’ কোটি ডলারেরও বেশি। আর এর পরিমাণ হচ্ছে জিডিপি’র ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। এডিবি বলছে, করোনার কারণে লকডাউন ও সাধারণ ছুটিসহ অন্যান্য কারণে গড়ে ৩৫ লাখ মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়বে। অথচ মার্চে এডিবি’র পূর্বাভাসেই বলা হয়েছিল- করোনার মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি সবলই থাকবে এবং জিডিপি কমতে পারে সর্বোচ্চ ১ দশমিক ১ শতাংশ। এডিবি এরইমধ্যে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে।  

তৈরি পোশাকখাতের হাত ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়েছে। প্রবাসীদের আয় এদেশের অর্থনীতির অর্থ যোগানের অন্যতম উৎস। করোনা সংক্রমণের কারণে এই দুই খাতেই ভয়াবহ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের অধিকাংশ ক্রেতা দেশগুলো করোনার কারণে মৃত্যু পুরিতে পরিণত হয়েছে। এসব দেশ অনেক অর্ডার বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশেই এরইমধ্যে তাদের কর্মীদের বেতন বন্ধ করে দিয়েছে বা কমিয়েছে। প্রবাসীরা আয় করতে না পারলে তাদের পরিবারের কাছে কোথা থেকে অর্থ পাঠাবে? এছাড়া অভ্যন্তরীণ সম্পদ থেকেও আয়ে রয়েছে বড় ধরনের ঘাটতি। করোনার কারণে ব্যবসা বাণিজ্য স্থবির হওয়ায় এ ঘাটতি কাটিয়ে উঠা সম্ভব হবে না। বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের প্রায় ৬০ভাগ অর্থায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওপর। শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটি ঘাটতিতে পড়ে। গত নয় মাসে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের ঘাটতি বেড়ে ৪৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এনবিআরের নয় মাসের রাজস্ব আদায়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারের রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি থাকায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নেও আশংকা দেখা দিয়েছে। এতে অনেক উন্নয়ন প্রকল্প যথা সময়ে শুরু করা সম্ভব হবে না, বা এরইমধ্যে শুরু করা হয়েছে এমন প্রকল্প মাঝ পথে থামিয়ে দিতে সরকার বাধ্য হবে। এতে সমগ্র অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে। এনবিআর চলতি অর্থ বছরের শুরু থেকেই ঘাটতিতে পড়ে। রাজস্ব আদায়ের সূত্র অনুসারে অর্থ বছরের শেষ ভাগে এনবিআরের আদায় বাড়ে। এবারে করোনা সংক্রমণের কারণে রাজস্ব আদায় বাড়া তো দূরের কথা, স্বাভাবিক আয়ই বন্ধ। তাই জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নে বড় ধরনের অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে। যা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সুখবর নয়। করোনা সংক্রমণের কারণে  বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং ভবিষ্যতে বাড়বে।

অনেক দেশ এরইমধ্যে তাদের বিনিয়োগ, অনুদান স্থগিত করেছে। জাপান বিভিন্ন দেশে তাদের বিনিযোগ অনুদান স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশেও জাপানসহ অনেক দেশের বিনিযোগ, অনুদান, সহযেগিতা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এসব অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্রে সংকট দেখা দেবে।

দেশের সবচেয়ে অন্যতম সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ে বড় অংশ আসে। চট্টগ্রাম বন্দর চালু থাকলেও আমদানি রফতানির স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে না প্রায় সারা বিশ্ব লকডাউন। কোথা থেকে আমদানি হবে আর কোথায় রফতানি হবে?

একই দিনে বিশ্ব অর্থনীতির বিপর্যয়ের আশঙ্কা করেছে আইএমএফও। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেন, 'কোভিড যে বিদ্যুতের গতিতে বিশ্বের সামাজিক ও অর্থনৈতিক চেহারাকে চুরমার করেছে, তা স্মরণকালে হয়েছে বলে মনে করতে পারছি না।'

মহামারী রাষ্ট্র প্রসূত সঙ্কট নয়। মহামন্দা তারই অনুসারী যেখানে সরকারের কোনো হাত নেই। কিন্তু জনগণের দায়িত্ব আছে। তারা যে কোনো অনুমতিকে যা খুশি করার অধিকার হিসেবে না দেখেন। বিপদ তাহলে অবশ্যম্ভাবী। প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপের। প্রয়োজন বিরোধী পক্ষের সহযোগিতা। রাজনীতি ও মতভেদকে দূরে রেখে এগিয়ে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে যে আমরা সবাই যেখানে দাঁড়িয়ে আছি তার পিছনে শুধু দেওয়াল। পিছনোর পথ নেই। 

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর