দূরবীনপ্রথম প্রহর

মনোনয়পত্র বাতিল, হাল ছাড়ছেন না হিরো আলম

মেহেদী সোহেলডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
হিরো আলম। ফাইল ছবি

বাতিল হয়ে গেছে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র। সমর্থকের ভুয়া স্বাক্ষর জমা দেয়ার অভিযোগে তার মনোনয়পত্রটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাচন অফিসার আশরাফ হোসেন।

এদিকে যে অভিযোগ এনে মনোনয়পত্র বাতিল করা হয়েছে তা মানতে নারাজ হিরো আলম। তিনি মনে করছেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। সেজন্য মনোনয়ন বহাল রাখতে আপিল করবেন বলে জানান হিরো আলম।

রোববার সন্ধায় ডেইলি বাংলাদেশকে হিরো আলম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন থেকে অভিযোগ করা হয়েছে আমি সমর্থকের ভুয়া স্বাক্ষর জমা দিয়েছি। এটা সত্য নয়। নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি সত্যটা যাচাই করতে পারেনি।’

হিরো আলম আরো বলেন, আমার নির্বাচনী এলকা বগুড়া-৪ আসনে মোট ভোটার রয়েছেন ৩০১২৮১। এর মধ্যে এক শতাংশ ভোটারের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩১২১ জন। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় ৩৫২৪ ভোটার সমর্থকের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি তালিকা যুক্ত করে দিয়েছি। এই ৩৫২৪ জন সমর্থকের মধ্য থেকে ১০ জন সমর্থকের সঙ্গে কথা বলেছে নির্বাচন কমিশন।

সেখানে ৭ জন সমর্থক স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, তারা আমাকে প্রার্থী হিসেবে সমর্থন করেন। ৩ জন বলেছেন তারা আমার সমর্থক নয়, তারা স্বাক্ষরও করেনি। এটাই নির্বাচন কমিশন আভিযোগ। কিন্তু তারা যাচাই করেনি, আমার সমর্থকদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে মিথ্যে কথা বলানো হয়েছে।

হিরো বলেন, এলাকায় একটি মহল চায় না আমি নির্বাচন করি। তারা আমার জনপ্রিয়তায় জ্বলে পুড়ে মরে। তারাই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে।

তিনি বলেন, ‘আমি সোমবার নির্বাচন কমিশনে আপিল করবো। সেখানে সমাধান না হলে আদালতে যাবো। আমি আইনের শেষ ধাপ পর্যন্ত লড়ে যাবো, সহজেই হাল ছাড়ছিনা। হিরো বলেন, এলাকার মানুষ চায় বলেই আমি নির্বাচনে এসেছি। আমি একজন মেম্বার। লোকে আমাকে আগেও ভোট দিয়েছেন। আমার সমর্থক যে আছে এটা নতুন কিছু নয়। আশা করি, আপিল করলে আমার মনোনয়পত্রটি বৈধ বলে স্বীকৃতি পাবে। এবং আমি আমার এলাকার জনগনের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবো।

প্রসঙ্গত, বুধবার (২৮ নভেম্বর) বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নন্দীগ্রাম উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও মোছা. শারমিন আখতারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর

daily-bd-hrch_cat_news-56-10