Alexa মধুমাসেই নামলো ফলের রাজা

মধুমাসেই নামলো ফলের রাজা

ফাতিন ইশরাক নিয়ন, রাজশাহী ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:১০ ১৫ মে ২০১৯   আপডেট: ১৭:১২ ১৫ মে ২০১৯

মধুমাস জ্যৈষ্ঠের ১ তারিখ বুধবার। আর এই মধুমাস ঘিরে বাজার ভরপুর থাকে কাঠাল, জাম, জামরুলসহ বিভিন্ন ফল। তবে এসবের চাইতে আমকেই বলা হয় ফলের রাজা। রসালো ফলের বার্তা দিয়েই রাজশাহীর বাজারে নেমেছে এই ফলের রাজা।

প্রশাসনের বেধে দেয়া সময় অনুযায়ী আজ থেকে সাত ধাপে বিভিন্ন জাতের আম গাছ থেকে নামানো হবে। উন্নতজাতের গোপালভোগ ২০ মে, রাণীপছন্দ ২৫ মে, খিরসাপাত বা হিমসাগর ২৮ মে এবং লক্ষণভোগ বা লখনা নামানো যাবে ২৬ মে থেকে। এছাড়া ল্যাংড়া আম ৬ জুন, আম রুপালি ও ফজলি ১৬ জুন থেকে নামানো যাবে। আর সবার শেষে ১৭ জুলাই থেকে নামানো যাবে আশ্বিনা জাতের আম।

রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলিম উদ্দিন বলেন, গুটি আম প্রতিবছরই একটু আগে পাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তাই অনেকে এখন গুটি আম নামাতে শুরু করবেন। এছাড়া জেলা প্রশাসনের বেধে দেয়ার সময় অনুযায়ী সাত দফায় আম নামাতে পারবেন। এতে ক্ষতির আশঙ্কা নেই।

প্রথমদিকে গাছে যখন মুকুল আসা শুরু হয় তখন তীব্র শীত ছিল। আবার শেষের দিকে গরমও পড়তে শুরু করেছিল। তাই কয়েক বছরের তুলনায় এবার গাছে সবচেয়ে বেশি মুকুল এসেছিল। কিন্তু দফায় দফায় কালবৈশাখী আর শিলাবৃষ্টিতে এবার রাজশাহীতে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই এবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয়ে আছেন আম চাষিরা। তবে কৃষিবিভাগ বলছে, গাছে গাছে এখনও প্রচুর আম ঝুলে আছে। এই দিয়েই দেশের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। এখন তাপদাহ কাটলেই হয়।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. শামসুল হক বলেন, চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন আমের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। তাপদাহ কেটে গেলে আর নতুন কোনো প্রকৃতিক দুর্যোগ না এলে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কোনো সমস্যা হবে না।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম