Alexa ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কারে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কারে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১০:৫৯ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৩:৩৯ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

জিএভিআই-এর বোর্ড চেয়ার ড. এনগোজি অকোনজো ইবিলার হাত থেকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জিএভিআই-এর বোর্ড চেয়ার ড. এনগোজি অকোনজো ইবিলার হাত থেকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচিতে ব্যাপক সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে এ পুরস্কার দিয়েছে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এবং ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)।

নিউইয়র্কে অবস্থানরত শেখ হাসিনা সোমবার জাতিসংঘ সদর দফতরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জিএভিআই-এর বোর্ড চেয়ার  ড. এনগোজি অকোনজো ইবিলা (Dr NGOZI OKONJO- IWEALA)  এর কাছ থেকে মর্যাদাপূর্ণ এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

তিনি বলেন, ভ্যাকসিনেশনের জন্য বাংলাদেশের কঠোর পরিশ্রম আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সুস্থ ও নতুন প্রজন্ম দরকার।

শেখ হাসিনা বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা নিয়ে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার অধীনে ইমুনাইজেশনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ২০৩০ সালের আগেই বাংলাদেশে সবার জন্য ভ্যাকসিনের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো সম্ভব হবে। ইমুনাইজেশনকে স্বাস্থ্য খাতে সরকারিভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফল্যগাঁথা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এক্ষেত্রে গ্লোবাল ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স এবং অন্যান্য অংশীদারদেরকে তাদের অব্যাহত সমর্থন ও অবদান রাখার জন্য ধন্যবাদ জানান।

শেখ হাসিনা সবপর্যায়ে অন্যান্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে ইমুনাইজেশনকে সমন্বিত করতে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বর্ণনা দেন।

বাংলাদেশের কক্সবাজারে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাখাইন থেকে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বিরাট ঝুঁকি তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, ২ রুটিন ভ্যাক্সিনেশন ও ইমুনাইজেশনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ডিপথেরিয়া, কলেরা এবং এ ধরনের রোগ যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেই লক্ষ্যে সফলভাবে ভ্যাকসিনেশন পরিচালনা করা হয় বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, জিএভিআই এর সর্বশেষ জরুরি এবং শরণার্থী নীতিমালা অনুযায়ী ২০১৭ সালে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে। প্রধানমন্ত্রী পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে জনগণের প্রতি তার সরকার সর্বদাই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ প্রসঙ্গে তিনি, রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, তার সরকার সবার মৌলিক স্বাস্থ্য ও পর্যাপ্ত পুষ্টি নিশ্চিতকরণে সক্ষম হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই